নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর, রায়দিঘি ও মহেশতলায় পুজো কার্নিভাল জমজমাট। যাদবপুর লোকসভার বারুইপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে এই ভ্রাম্যমাণ আনন্দ অনুষ্ঠান। বারুইপুর, সোনারপুর, নরেন্দ্রপুর মিলিয়ে ১০টি পুজো অংশ নিয়েছিল। বারুইপুরের বেশ কয়েকটি নামী পুজোকে কার্নিভালে দেখা যায়নি। ভাঙড়ের কোনও পুজো এদিন অনুষ্ঠানে ছিল না। বারুইপুরের উড়ালপুল থেকে কার্নিভালের শোভাযাত্রা শুরু হয়। শেষ হয় পদ্মপুকুর সোনারতরীতে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, বারুইপুর পুলিশ জেলার সুপার পলাশচন্দ্র ঢালী, বারুইপুরের মহকুমা শাসক চিত্রদীপ সেন ও সোনারপুর উত্তর ও দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক। অনুষ্ঠান ঘিরে পুলিশি নিরাপত্তা ছিল জোরদার। রাস্তার ধারে মানুষের ভিড় চোখে পড়েছে। বিভিন্ন পুজো কমিটি ট্যাবলো নিয়ে শোভাযাত্রা করেছে। নৃত্য পরিবেশন করেছে। সবমিলিয়ে জমকালো অনুষ্ঠান হয় শনিবার।
অন্যদিকে জয়নগর লোকসভার পুজো কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হয় তুলসীঘাটা থেকে। শেষ হয় বুড়োর ঘাটে। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল, বিধায়ক বিশ্বনাথ দাস। কার্নিভাল নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেন সাংসদ। তিনি বলেন, ‘এই কার্নিভাল লজ্জাজনক। লোকসভার কার্নিভাল হয়নি। অঞ্চলের কার্নিভাল হয়েছে।’ জানা গিয়েছে, ক্যানিং, কুলতলি, মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা অংশ নেয়নি। ১৩টি পুজো কমিটির মধ্যে ফুটিগোদা অঞ্চলের সাতটি পুজো অংশ নিয়েছিল। পাশাপাশি শাহাজাদাপুর পঞ্চায়েতের তিনটি ও বহরুর একটি পুজো অংশ নেয়। অন্যদিকে মথুরাপুর লোকসভার রায়দিঘির শ্রীমন্তী এলাকা থেকে কার্নিভালের শোভাযাত্রা শুরু হয়। শেষ হয় কাশীনগর বাজারে। প্রায় ২০টি পুজো অংশ নিয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ বাপি হালদার ও অন্যান্য বিধায়করা। ছিলেন পুলিশ সুপার কোটেশ্বর রাও। জমজমাট অনুষ্ঠান করে পুজো কমিটিগুলি। নৃত্য সহ ট্যাবলোতে দুর্গাকে সাজিয়ে শোভাযাত্রায় আনা হয়েছিল। এর পাশাপাশি মহেশতলার বাটাতে ডায়মন্ডহারবার লোকসভার পুজো কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হয়। ১৭টি পুজো অংশ নিয়েছিল। বিকেল সাড়ে চারটে থেকে শুরু হয় অনুষ্ঠান। অংশগ্রহণ করে মহেশতলার ১১টি, বজবজের দু’টি, বিষ্ণুপুরের একটি, কালীতলা আশুতি থানার একটি, রবীন্দ্রনগর থানার দু’টি পুজো। জমকালো সাজে সাজানো হয়েছিল লরি। প্রতিমার আগে অনুষ্ঠান করেছে নাচের দল।