নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কথায় বলে, ‘ঠেলার নাম বাবাজি।’ সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের তেমনই অবস্থা। ফুটবল র্যাঙ্কিং ১৩৩। এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বে হংকংয়ের কাছে হারের পর মুখ দেখানোর জায়গা নেই। চাপের মুখে জাতীয় দলে ‘ওসিআই’ (ওভারসিজ সিটিজেনশিপ অব ইন্ডিয়া) কোটায় ফুটবলার খেলানোর পরিকল্পনা জানালেন ফেডারেশন সভাপতি। দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় বংশোদ্ভূত ফুটবলার খেলানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু পদ্ধতিগত জটিলতার জন্য সেই প্রয়াস এখনও বিশ বাঁও জলে। গাড্ডায় পড়লে কুমীর ছানা দেখানোর মতো পিআইও (ভারতীয় বংশোদ্ভূত) কোটার টোপ দেখান ফেডারেশন কর্তারা। এবার তাতেও চিঁড়ে ভিজছে না। ওসিআই কোটা আসলে ঠিক কী? আসলে এটি বিশেষ নাগরিকত্ব। কার্ডের জন্য আবেদন করতে হয়। নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও মাপকাঠি পেরতে পারলে ওসিআই কার্ড মেলে। শুক্রবার ফেডারেশন সভাপতির দাবি, ইতিমধ্যেই ৩৩ জন ফুটবলারের তালিকা তৈরি হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সবুজ সঙ্কেত পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে অনেকেই মনে করছেন,ওসিআই কোটা নতুন গিমিক ছাড়া কিছুই নয়। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতেই নতুন গল্প সাজাচ্ছে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। নির্দিষ্ট সমাধান চাইলে বিভিন্ন ক্লাব ও ফ্র্যাঞ্চাইজিদের নিয়ে আলোচনা করাই যেত। অ্যাকাডেমি বা গ্রাসরুট ডেভেলপমেন্ট ঢেলে সাজানোর বদলে নতুন চাল দিল এআইএফএফ। ওসিআই কোটার ফুটবলার খেলানোও বেশ সময়সাপেক্ষ। ততদিনে লালবাতি জ্বলে যাবে ভারতীয় ফুটবলের।



