নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভারতীয় ফুটবলে বর্তমান অচল পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে আগেই দলের সিনিয়র ফুটবলার ও কোচিং স্টাফেদের বেতন বন্ধ করেছিল বেঙ্গালুরু এফসি। আইএসএল নিয়ে নির্দিষ্ট কোনও দিশা না পাওয়ায় এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন বিএফসি কর্তারা। এবার সেই পথেই হাঁটল আইএসএলের আর এক দল চেন্নাইয়ান এফসি। বুধবার ক্লাবের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আইএসএলের ভবিষ্যৎ ঘিরে যে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে, সেই কথা মাথায় রেখে আপাতত আমরা ফুটবল সংক্রান্ত সব ধরনের কার্যকলাপ বন্ধ করছি। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া মোটেই সহজ ছিল না। তবে আমাদের একটি পথ বেছে নিতেই হতো। আশা করছি, দ্রুত এই অচলাবস্থা কাটবে। এবং আবারও আমরা স্বমহিমায় ফিরতে পারব।’
শুধু বেঙ্গালুরু কিংবা চেন্নাইয়ান নয়, আইএসএল ভবিষ্যৎ ঘিরে চিন্তায় লিগের প্রতিটি দল। এমন অবস্থায় বৃহস্পতিবার ফেডারেশন সভাপতি কল্যাণ চৌবের সঙ্গে বৈঠকে বসছে আইএসএল দলগুলির প্রতিনিধি। প্রথমে আটটি দল এই বৈঠকের জন্য সহমত জানিয়েছিল। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সেই তালিকায় নাম লিখিয়েছে ইস্ট বেঙ্গল, মহমেডান স্পোর্টিংও। যদিও কলকাতার অপর দল মোহন বাগান সুপার জায়ান্টের পক্ষ থেকে এই বৈঠকে কেউ হাজির থাকবেন না। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসেই ফেডারেশনের সঙ্গে মৌ চুক্তি শেষ হচ্ছে এফএসডিএলের। কিন্তু এখনও পর্যন্ত নতুন মাস্টার রাইটস সই করেনি সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। তাই নিয়েই যাবতীয় জটিলতা। আসলে স্পোর্টস বিলের উপর নির্ভর করছে অনেক কিছু। ফেডারেশনের নতুন সংবিধান চালু হলে তারপরই হবে নির্বাচন। ততদিন মাস্টার রাইটস নিয়ে কোনওরকম সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় নেই ফেডারেশন বর্তমান কমিটি। তাই বৃহস্পতিবার আইএসএল দলগুলিকে কী বার্তা দেন সভাপতি, সেদিকেই নজর থাকবে গোটা দেশের ফুটবল অনুরাগীদের।