Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

ক্যাসের নির্দেশে মুখ পুড়ল ফেডারেশনের, আই লিগ চ্যাম্পিয়ন ইন্টার কাশী

কানমলা খেয়েও তাঁদের শিক্ষা হয় না। একের পর এক ভুল পদক্ষেপে ভারতীয় ফুটবলে ঘোর অন্ধকার ডেকে এনেছেন এআইএফএফ কর্তারা।

ক্যাসের নির্দেশে মুখ পুড়ল ফেডারেশনের, আই লিগ চ্যাম্পিয়ন ইন্টার কাশী
  • ১৯ জুলাই, ২০২৫ ১৫:০৭
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কানমলা খেয়েও তাঁদের শিক্ষা হয় না। একের পর এক ভুল পদক্ষেপে ভারতীয় ফুটবলে ঘোর অন্ধকার ডেকে এনেছেন এআইএফএফ কর্তারা। আসলে এই কেষ্ট-বিষ্টুদের না আছে লজ্জা, না আছে ভয়। তাই প্রতিনিয়ত অপদস্থ হচ্ছে রাজধানীর ফুটবল হাউস। এবার আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতেও মুখ পুড়ল কল্যাণ চৌবেদের। শুক্রবার কোর্ট অব আরবিট্রেশনে খারিজ হয়ে গেল ভারতীয় ফুটবল সংস্থার আবেদন। একই সঙ্গে, ইন্টার কাশীকে আই লিগ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণার নির্দেশও দিয়েছে ক্যাস। পাশাপাশি মামলার জন্য ইন্টার কাশীর ব্যয় হওয়া অর্থের ৫৫ শতাংশ (ভারতীয় মুদ্রায় ৩ লক্ষ ২২ হাজার টাকা) বহন করতে হবে ফেডারেশনকে। বাকি ৪৫ শতাংশ মেটাবে তিন বিবাদী ক্লাব চার্চিল ব্রাদার্স, নামধারী এফসি ও রিয়াল কাশ্মীর।

Advertisement

গত ১৮ এপ্রিল গোয়ার চার্চিল ব্রাদার্সকে আই লিগের বিজয়ী ঘোষণা করে ফেডারেশন। শুধু তাই নয়, ঘটা করে তাদের হাতে ট্রফিও তুলে দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করেই ফিফার দরবারে নালিশ জানায় ইন্টার কাশী। দীর্ঘ ৩ মাসের টানাপোড়েন শেষে শিরোপা জিতল হাবাস ব্রিগেড। ক্যাসের নির্দেশ অনুযায়ী লিগ টেবিলে ইন্টার কাশীর পয়েন্ট দাঁড়াচ্ছে ৪২। দু’পয়েন্ট পিছনে চার্চিল ব্রাদার্স। তৃতীয় স্থানে রিয়াল কাশ্মীর। তাদের সংগ্রহ ৩৭। উল্লেখ্য, আই লিগে ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিদেশি ফুটবলার খেলানোর অভিযোগ তোলে নামধারী এফসি। স্প্যানিশ ফুটবলার মারিও বারকোকে নিয়েই সমস্যার সূত্রপাত। নিয়ম অনুযায়ী, আই লিগে ছয় বিদেশিকে নথিভুক্ত করা যায়। কাউকে বাদ দেওয়া হলে পুনরায় নথিভুক্ত করানো আইনবিরুদ্ধ। নামধারী এফসি’র পাশাপাশি  চার্চিল ব্রাদার্স এবং রিয়াল কাশ্মীরও ফেডারেশনের আপিল কমিটির কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ জানায়। তা মান্যতা পায় কমিটিতে। এর পরেই চার্চিলকে আই লিগ জয়ী ঘোষণা করা হয়। এআইএফএফ-এর সেই সিদ্ধান্তকে কার্যত উড়িয়ে দিল ফিফা। ক্যাসের রায় আসার পরেই ইন্টার কাশী শিবিরে যুদ্ধজয়ের উল্লাস। অন্যদিকে, ক্ষোভে ফেটে পড়ল চার্চিল ব্রাদার্স। কর্ণধার আলেমাও চার্চিলের অভিযোগ, ‘ফুটবলের অভিশপ্ত দিন। আমাদের ট্রফি দেওয়া হলেও পুরস্কারমূল্য পাইনি। তখনই সন্দেহ হয়েছিল। ভবিষ্যতে চার্চিল ব্রাদার্স মাঠে নামবে কিনা ভাবার বিষয়।’ কোণঠাসা ফেডারেশন ক্যাসের রায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে। কল্যাণদের এখন সত্যিই ছুঁচো গেলার দশা। আইএসএল নিয়েও অনিশ্চয়তা তুঙ্গে। সবমিলিয়ে প্রবল চাপে ফেডারেশন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ