Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিষ্ণুপুরে ধসে যাওয়া সেতুতে মাটি ভরাট করে যাতায়াতে বিপদের শঙ্কা

বিষ্ণুপুরে ধসে যাওয়া সেতুতে মাটি ভরাট করে যাতায়াতে বিপদের শঙ্কা
  • ১৪ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: ২০মাস আগে বর্ষায় জলের তোড়ে সেতু ধসে গিয়েছে। ওই সেতুর উপর মাটি ভরাট করে যাতায়াতে অনেকেই বিপদের আশঙ্কা করছেন। বিষ্ণুপুরের দ্বারিকা-গোঁসাইপুর পঞ্চায়েতের সুভাষপল্লিতে এঘটনা ঘটেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন, হাজার হাজার পুণ্যার্থী ওই ধসে যাওয়া সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করবেন। সেখান দিয়ে গাড়ি চলাচলও শুরু হয়েছে। এতে সেতুটি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

Advertisement

বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ বলেন, সুভাষপল্লিতে বেহাল সেতু নতুন করে তৈরির বিষয়ে বিধানসভায় প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের তরফেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রকল্প জমা দেওয়া হয়েছে।
একদিকে দ্বারকেশ্বর, অন্যদিকে বিড়াই নদী। মাঝখানে দ্বীপের মতো গ্রাম সুভাষপল্লি। দ্বারকেশ্বরের ওপারেই রয়েছে ঐতিহাসিক ষাঁড়েশ্বরের মন্দির। সেখানে গাজন উৎসব হচ্ছে। হাজার হাজার মানুষ ওই ধসে যাওয়া সেতু দিয়ে যাতায়াত করছেন।
২০২৩ সালের আগস্ট মাসে জলের তোড়ে সেতুর মাঝখানে বেশ কিছুটা অংশ ধসে যায়। গোড়া আলগা হওয়ায় সেতুর মাঝের একাংশ ঝুলতে থাকে।  ওই সময় ধসে যাওয়া সেতুর উপর দিয়ে চারচাকা গাড়ি চলাচল বন্ধ ছিল। কিন্তু গাজনে ভক্তদের সুবিধার কথা ভেবে গ্রামবাসীরা সেতুর উপর মাটি দিয়ে ভরাট করেছেন। এখন সুভাষপল্লি ছাড়াও জন্তা, ডিহর, ধানগোড়া, বেলিয়াড়া, দেঝাট প্রভৃতি প্রায় ১০টি গ্রামের বাসিন্দারা ওই রাস্তা দিয়ে বিষ্ণুপুর শহরে যাতায়াত করছেন।
দ্বারিকা-গোঁসাইপুর পঞ্চায়েতের প্রধান কার্তিক লোহার বলেন, ষাঁড়েশ্বর মন্দিরের গাজনে যেতে ভক্তদের সুবিধার জন্য সাময়িকভাবে সেতুর মাঝে গর্ত মাটি দিয়ে বোজানো হয়েছে। বিধায়ক ও প্রশাসন নতুন সেতু তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছেন। আশা করি, তা সফল হবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ