সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: পূর্ণিমার ভরা কোটালে রূপনারায়ণ নদীতে জলস্তর বেড়েছে। চিৎনান এলাকায় রিং বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাঁধ ভাঙলে জমিতে থাকা ধানের পাশাপাশি পুকুরের মাছ নষ্ট হতে পারে। এই আশঙ্কায় বাঁধরক্ষায় স্থানীয় কৃষকরা নিজেরাই মাঠে নামলেন। বস্তায় মাটি ভরে বাঁধ মেরামতের কাজ করলেন। জলের স্রোত আটকাতে পাড় ঢাকলেন ত্রিপল দিয়ে। তা শুনে সেচদপ্তর আশ্বাস দিয়েছে, খোঁজখবর করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাওড়ার দীপাঞ্চল ঘোড়াবেড়িয়া চিৎনান গ্রাম পঞ্চায়েতের চিৎনান এলাকা হল রূপনারায়ণ ও মুণ্ডেশ্বরী নদীর মিলনস্থল। স্বাভাবিকভাবেই এখানে নদীর স্রোত বেশি। নদীর পাড় ঘেঁষে আছে কয়েকশো বিঘা চাষের জমি ও একাধিক পুকুর। মাস তিনেক আগে রিং বাঁধ তৈরি করেছে সেচদপ্তর। তবে অভিযোগ, সেটি শক্তিশালী নয়। ফলে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শনিবার কোটালের সময় জলস্তর বেড়ে গিয়ে বাঁধ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। তারপর কোমর বেঁধে মাঠে নামেন কৃষকরা। ৫০ জন জমির মাটি কেটে বস্তায় ভরে নদীর পাড়ে ফেলেন। এবং ঢেউয়ের জন্য নদীর পাড়ের যে ক্ষয় হয় তা আটকাতে কয়েক ফুট পাড় ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেন। চাষিদের বক্তব্য, জল বাড়লে চাষের ক্ষতি হবে। প্রশাসনকে বলতে বলতে এলাকা ডুবে যাবে। ফসল ও মাছের ক্ষতি হবে। স্থানীয় বাসিন্দা মলয় মণ্ডল বলেন, নদীবাঁধের ৮০০ মিটারের মত জায়গা বিপজ্জনক অবস্থায় আছে। চাই সেচদপ্তর সমস্যার স্থায়ী সমাধান করুক। এক সেচ কর্তা জানান, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। নিজস্ব চিত্র



