সংবাদদাতা, বনগাঁ: ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ছেলেকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠলো স্বয়ং বাবার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পেট্রাপোল থানার নরহরিপুর গ্রামে। এই ঘটনায় গুরুতর জখম হন ছেলে বিশ্বজিৎ রায় (২৭)। মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত বাবা সুকুমার রায়কে (৪৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, পেশায় ভ্যানচালক সুকুমার রায়ের সঙ্গে স্ত্রী ও ছেলের সম্পর্ক ভালো ছিল না। একই বাড়িতে থাকলেও মাঝেমধ্যে স্ত্রী-ছেলের সঙ্গে তাঁর অশান্তি হত। শনিবারও বাবা-ছেলের মধ্যে বচসা হয়। পরে তা হাতাহাতিতে পৌঁছয়। তখন সুকুমার ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছেলে বিশ্বজিতের মাথায় কোপ মারেন। তাতে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বিশ্বজিৎ। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁর মাথায় একাধিক সেলাই পড়েছে। এরপর সুকুমারের স্ত্রী রূপা রায় থানায় স্বামীর নামে অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্য আরেকটি ঘটনায় স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগে গোপালনগর থানার পুলিশ স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম মিন্টু শীল। গোপালনগর মামুদপুরের বাসিন্দা তিনি। ধৃতের স্ত্রীর অভিযোগ, তাঁকে নানাভাবে অত্যাচার করতেন স্বামী মিন্টু। মারধরও করতেন বলে অভিযোগ। স্ত্রী থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।



