সংবাদদাতা তারকেশ্বর: ফি বছর হরিপালের ডিভিসির ছাড়া জলে প্লাবিত হয় চাষের জমি। ক্ষতিগ্রস্ত হন বেশ কয়েকটি গ্রামের কৃষক। এ বছরও চাষজমি প্লাবিত। নষ্ট হয়েছে বিপুল পরিমাণ ধান। সমস্যা সমাধানের আশ্বাস প্রশাসনের।
সংবাদদাতা তারকেশ্বর: ফি বছর হরিপালের ডিভিসির ছাড়া জলে প্লাবিত হয় চাষের জমি। ক্ষতিগ্রস্ত হন বেশ কয়েকটি গ্রামের কৃষক। এ বছরও চাষজমি প্লাবিত। নষ্ট হয়েছে বিপুল পরিমাণ ধান। সমস্যা সমাধানের আশ্বাস প্রশাসনের।
হরিপাল ব্লকের এক দিয়ে বয়ে গিয়েছে ডাকাতিয়া খাল। অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে ডিভিসি প্রতিবছর জল ছেড়ে দেয়। সে জল ডাকাতিয়া খাল উপচে এলাকা ভাসিয়ে দেয়। বছরের অন্যান্য সময় খালে জলস্তর থাকে কম। কিন্তু বর্ষায় খাল ছাপিয়ে জল চলে আসে চাষের জমিতে। বর্তমানে জলমগ্ন হরিপাল ব্লকের সহদেব, দ্বারহাট্টা, কৈকালা গ্ৰাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকার কৃষিজমি। কলুবাটি, ভগবতীপুর, খাজুরিয়া, কনকপুর, পার্বতীপুর, কৃষ্ণ বল্লভবাটি সহ একাধিক গ্ৰামের কৃষিজমি জলমগ্ন। ব্লক প্রশাসনের দাবি, হরিপাল ব্লকের প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমি জলমগ্ন। কোথাও বীজতলা, কোথায় বা সদ্য রোপণ করা ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চাষের কাজে বিঘা প্রতি ইতিমধ্যেই প্রায় পাঁচ হাজার টাকা খরচ করে ফেলেছেন কৃষকরা। জলমগ্ন পরিস্থিতির ফলে এখন কেঁদে ফেলার দশা তাঁদের।
শেখ সিরাজউদ্দিন নামে স্থানীয় এক কৃষক বলেন, ‘প্রতিবছরই ডিভিসির জলে ভেসে যায় চাষের জমি। খাল সংস্কার না হওয়াই এই সমস্যার অন্যতম কারণ। বীজধান সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আর ধানচাষের উপযোগী নয় এই জমি। প্রশাসনের কাছে আর্থিক সহযোগিতার আবেদন আমাদের। তাহলে উপকৃত হবেন ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা।’ হরিপাল ব্লকের বিডিও পারমিতা ঘোষ বলেন, ‘এলাকা পরিদর্শন করেছি। প্রয়োজনীয় সবরকম ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেচদপ্তর খালে জমে থাকা পানা সহ আবর্জনা সরানোর কাজ করছে। চাষিদের ক্ষতিপূরণের বিষয়টি নিয়ে কৃষিদপ্তরের সঙ্গে যৌথভাবে রিপোর্ট পাঠাব। আশা করি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।’