Bartaman Logo
২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

লাভপুরে বাঁধ মেরামতির কাজে চাষিরা

বর্ষায় বাড়ছে নদীর জল। ক্ষতির মুখে জমি। ফলে প্রশাসনের ব্যবস্থার অপেক্ষায় না থেকে নিজেরাই কোমর বেঁধে কাজে নেমে পড়লেন চাষিরা

লাভপুরে বাঁধ মেরামতির কাজে চাষিরা
  • ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বোলপুর: বর্ষায় বাড়ছে নদীর জল। ক্ষতির মুখে জমি। ফলে প্রশাসনের ব্যবস্থার অপেক্ষায় না থেকে নিজেরাই কোমর বেঁধে কাজে নেমে পড়লেন চাষিরা। মাটি, বাঁশ ও ত্রিপল দিয়ে ভাঙা নদীবাঁধের অংশ মেরামত করছেন তাঁরা। বীরভূমের লাভপুরে ঠিবা অঞ্চলের খাঁপুর বিল সংলগ্ন এলাকার ঘটনা। দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ওই ‘রিং বাঁধ’-এর একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে রয়েছে বলেই অভিযোগ স্থানীয়দের। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খাঁপুর গ্রাম থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে শেষ হয়েছে সেচ দপ্তরের মূল বাঁধ। তার পরের অংশে রয়েছে তুলনায় সরু ও কম উচ্চতার রিং বাঁধ। কৃষিজমি রক্ষার জন্য স্থানীয় উদ্যোগে এই বাঁধ তৈরি হয়েছিল। বাঁধ তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণে স্থানীয়  পঞ্চায়েতেরও ভূমিকা ছিল। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের এই বাঁধের স্বাস্থ্যের দিকে তেমন নজর নেই। গতবছর থেকেই একটি অংশ ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। নদীতে সামান্য জল বাড়লেই সেই অংশ দিয়ে জল ঢুকে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় জমি ও ফসল। তাই আর অপেক্ষা না করে গত কয়েক দিন ধরে নিজেরাই মেরামতির কাজ শুরু করেছেন চাষিরা। খাঁপুরের বাসিন্দা সৌমেন বাগদি, ধনঞ্জয় মন্ডল, উৎপল মন্ডলরা বলেন, প্রতি বছরই কৃষিজমি ও ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান জরুরি। তাঁদের দাবি, সেচ দপ্তরের মূল বাঁধ আরও কিছুটা সম্প্রসারণ করা হোক। সেচ দপ্তর সূত্রে অবশ্য জানানো হয়েছে, নদীর গতিপথ ও এলাকার ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনা করেই নির্দিষ্ট পরিকল্পনায় নদীবাঁধ তৈরি হয়েছে। ইচ্ছেমতো সেই বাঁধ সম্প্রসারণ করা সম্ভব নয়। রিং বাঁধের ভাঙন নিয়ে লাভপুর ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ