সংবাদদাতা বেলদা: ‘আমাদের বাঁচান, একেবারে না খেতে পেয়ে মরে যাব। অন্যান্য ঘূর্ণিঝড়ে এত ক্ষতি হয়নি, যা এবারে শিলাবৃষ্টিতে হয়েছে। সব শেষ হয়ে গেছে।’ রবিবার বিধায়ককে কাছে পেয়ে তাঁর কাছে করজোড়ে আবেদন করলেন মোহনপুরের পদিমা গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত চাষী লক্ষ্মীকান্ত কুণ্ডু, বরুণ জানারা। শুক্রবার রাতের দশ মিনিটের ঝড় আর শিলাবৃষ্টি শেষ করে দিয়েছে খেতের ফসল। সদ্য গজিয়ে ওঠা যে ধানের শিস দেখে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলেন চাষিরা, সেই বিঘের পর বিঘে জমির ধান, বাদাম, তিল, সব্জি এখন ইতিহাস। শিলাবৃষ্টির পর সব পচতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে দাঁতনের বিধায়ক বিক্রমচন্দ্র প্রধান রবিবার সকাল থেকেই বেরিয়ে পড়েন ক্ষতিগ্রস্ত দাঁতন-১ ব্লকের চক ইসমাইলপুর ও মোহনপুর ব্লকের সাউটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায়। নিজে মাঠে গিয়ে দেখেন ক্ষতির পরিমাণ। এদিনও বহু জায়গায় গাছ পড়ে রাস্তা বন্ধ ছিল। ফলে গাড়ি ছেড়ে মোটরবাইকে ঘুরে বেড়াতে হয় বিধায়ককে। তিনি বলেন, আমার বিধানসভা এলাকায় মোহনপুর ও দাঁতন ১ ও ২ ব্লকে শিলাবৃষ্টির ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। প্রশাসনকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে জেলায় রিপোর্ট পাঠাতে বলেছি।



