Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বৃদ্ধের এসআইআর আতঙ্ককেই দায়ী করল পরিবার

এসআইআর নিয়ে উদ্বেগ ও আতঙ্কে আরও একজনের মৃত্যুর অভিযোগ উঠল

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বৃদ্ধের এসআইআর আতঙ্ককেই দায়ী করল পরিবার
  • ১৬ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: এসআইআর নিয়ে উদ্বেগ ও আতঙ্কে আরও একজনের মৃত্যুর অভিযোগ উঠল। মধ্যমগ্রাম বিধানসভার পশ্চিম খিলকাপুর পঞ্চায়েতের চাটুরিয়া গ্রামের জিয়ার আলি (৭০) এসআইআর আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন বলে দাবি পরিবারের। জানা গিয়েছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম থাকলেও এপিক নম্বর ছিল না। এই কারণে ইনিউমারেশন ফর্ম পূরণ করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন তিনি। এই অবস্থায় তাঁর হার্ট অ্যাটাক হলে এনআরএস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।  চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চাটুরিয়া গ্রামেই জন্ম জিয়ার আলির। তিনি ইটভাটার কর্মী ছিলেন। তাঁর চার ছেলে ও এক মেয়ে। বিগত নির্বাচনগুলিতে ভোট দিয়েছেন তিনি। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, এসআইআর চালু হওয়ার পর থেকেই তিনি দুশ্চিন্তায় ছিলেন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকলেও এপিক নম্বর না থাকায় তাঁর দুশ্চিন্তা বেড়েছিল। কয়েকদিন আগে ইনিউমারেশন ফর্ম হাতে পান জিয়ার। ফর্মের প্রতিলিপি নিয়ে পূরণ করে প্রতিবেশীদের দেখিয়েও ছিলেন। কোনও ভুল হল কি না, তা নিয়ে সংশয়ে ছিলেন। এভাবে ১৩ বার ফর্মের প্রতিলিপি পূরণ করেন তিনি। জিয়ার আলির ছেলে সইদুল আলি বলেন, ‘এতবার ফর্ম পূরণ করেও নিশ্চিন্ত হতে না পেরে আমাদের জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তাহলে কি বাংলাদেশে চলে যেতে হবে? এই আতঙ্ক থেকেই ১৩ নভেম্বর রাতে তাঁর হার্ট অ্যাটাক হয়।’ 

Advertisement

শনিবার দুপুরে তাঁর বাড়িতে আসেন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ, বারাসত ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হালিমা বিবি, মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান নিমাই ঘোষ। তাঁরা পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। রথীনবাবু বলেন, ‘বিজেপি নেতাদের হুমকিতেই মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। মাশুল দিতে হল একজন সাধারণ মানুষকে। আমরা পরিবারের 
পাশে আছি।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ