নয়াদিল্লি: রিপোর্ট কার্যত অশ্বডিম্ব। এমনটাই অভিমত বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের। দুর্ঘটনায় দাদা-বউদি ও দুই সন্তানকে হারিয়েছেন ইমতিয়াজ আলি। তিনি বলেছেন, রিপোর্ট যেন একটি পণ্যের বিবরণ। দুই পাইলটের শেষ কথা ছাড়া আর কোনও কিছুই নেই। ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনা, তা রিপোর্টে খোলসা করা হয়নি। কেন ফুয়েল সুইচ অফ হয়েছে, সেটাই তো বলা নেই। ঠিক কী ঘটেছিল, আমরা তা জানতে চাই। এতে আমাদের শোক কাটবে না। কিন্তু কিছু একটা তো জানতে পারব! দুর্ঘটনায় স্বামীকে হারিয়েছেন ৪১ বছরের শ্বেতা পরিহার। তাঁরও অভিমত, এসব তদন্তে কী লাভ? আসল কথা হল কেন দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতগুলি প্রাণ চলে গেল, ওরা কী বলবে, দুঃখিত? ১১ বছরের ছেলে এখনও বাবার পথ চেয়ে বসে থাকে। বড়াসাব সঈদ হারিয়েছেন পরিবারের চার জনকে। রিপোর্টে হতাশ তিনিও। বলছেন, ফুয়েল সুইচ নাকি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আমরা এর মানেই জানি না। এটা কি এড়ানো যেত না?



