Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রাতে আচমকা হানায় ৩৪ লক্ষ টাকার জাল নোট উদ্ধার বসিরহাটে, ধৃত এক

শনিবার রাতে জেলা পুলিসের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স ও মাটিয়া থানার যৌথ অভিযানে উদ্ধার হল প্রায় ৩৪ লক্ষ টাকার জাল নোট

রাতে আচমকা হানায় ৩৪ লক্ষ টাকার জাল নোট উদ্ধার বসিরহাটে, ধৃত এক
  • ৫ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: বড়সড় জাল নোট চক্রের পর্দা ফাঁস করল বসিরহাট জেলা পুলিস। শনিবার রাতে জেলা পুলিসের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স ও মাটিয়া থানার যৌথ অভিযানে উদ্ধার হল প্রায় ৩৪ লক্ষ টাকার জাল নোট। সেই সঙ্গে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে জাল নোট তৈরির কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ সাদা কাগজ। শেখ আব্দুল কলিম ওরফে রাজা নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃত ব্যক্তিই এই চক্রের মূল পান্ডা বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। রবিবার তাকে বসিরহাট আদালতে তোলা হলে পাঁচদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ফের যে জাল নোটের কারবারিরা সক্রিয় হচ্ছে, এই ঘটনা আবারও তা প্রমাণ করল।

Advertisement

পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত আব্দুল কলিম মাটিয়ার খোলাপোতা এলাকার বাসিন্দা। তার বাড়ির অদূরেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। সেই বাড়িতেই জাল নোটের কারবার ফেঁদে বসেছিল সে। শনিবার রাতে মাটিয়া থানার পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে তার বাড়িতে হানা দেয় বসিরহাট জেলা পুলিসের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ। বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মোট ৩৩ লক্ষ ৫৬ হাজার ৩০০ টাকার জাল নোট উদ্ধার হয়। উদ্ধার হয়েছে টাকার মাপে কাটা বিপুল পরিমাণ সাদা কাগজের অংশ। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, অচল দু’হাজার টাকার ২৯৪টি এবং ৫০০ টাকার ৪৬৯টি সাদা পেপার কাটিং বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে ২০০০ টাকার ১৫৬৭টি, ৫০০ টাকার ৩২৭টি এবং ২০০ টাকার ২৯৪টি জাল নোট। বাদুড়িয়ার এসডিপিও রাহুল মিশ্র বলেন, ‘এই চক্রের পিছনে আর কারা রয়েছে, ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে তা জানার চেষ্টা হবে। অচল ২০০০ টাকার নোট এখানে কেন ছিল, তা আমাদের বিশেষভাবে ভাবাচ্ছে। তবে এখনও এই কারবারের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনও যোগসূত্র মেলেনি। রাজার বিরুদ্ধে আগেও বসিরহাটের বিভিন্ন থানা এলাকায় অপরাধমূলক কাজকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এনিয়ে বসিরহাট পুলিস জেলার সুপার হোসেন মেহেদি রহমান বলেন, ‘ধৃতের দাদাও এই চক্রের অন্যতম পান্ডা। তাকেও দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে। এদের জিজ্ঞাসাবাদে অনেক কিছুই স্পষ্ট হয়ে যাবে। তবে আমাদের আপাতত সব থেকে চিন্তার বিষয়, এই জাল নোট কোথায় ছাপানো হতো, সেটা জানা। উদ্ধার হওয়া কাগজের টুকরোগুলি কারা কাটিং করেছিল, তাও আমরা খতিয়ে দেখছি।’  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ