নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: সরকার বদলানোর পর বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে কয়েকটি জুটমিল খুলেছে। বন্ধও হয়েছে। এখনও বেশকিছু কারখানা বন্ধ। দু’দিন আগেই বন্ধ হয়েছে টিটাগরের লুমটেক্স জুটমিল। এই আবহে শিল্পাঞ্চল মেতেছে বিশ্বকর্মা পূজোয়।
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: সরকার বদলানোর পর বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে কয়েকটি জুটমিল খুলেছে। বন্ধও হয়েছে। এখনও বেশকিছু কারখানা বন্ধ। দু’দিন আগেই বন্ধ হয়েছে টিটাগরের লুমটেক্স জুটমিল। এই আবহে শিল্পাঞ্চল মেতেছে বিশ্বকর্মা পূজোয়।
বারাকপুরে এখন উৎসবের মেজাজ অটো, রিকশ স্ট্যান্ড থেকে শুরু করে কারখানা, জুটমিলগুলিতে। সর্বত্র চলছে দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার উৎসব। অ্যালায়েন্স, নদিয়া জুটমিল, এক্সাইড ব্যাটারি কারখানা, টিটাগড় রেল ওয়াগন, জয়শ্রী টেক্সটাইল, মেঘনা, অ্যাংলো ইন্ডিয়া জুটমিল ইত্যাদিতে মহা সমারোহে হচ্ছে পুজো। মিলের শ্রমিকরা নিজেদের উদ্যোগে পুজোর আয়োজন করেছেন। অটো, টোটো স্ট্যান্ডে বেজেছে সাউন্ড বক্স। পুজোর পাশাপাশি খাওয়া-দাওয়া এবং গান-বাজনার অনুষ্ঠান চলেছে। শ্রমিকরা পরিবার সহ নিজেদের কারখানায় পুজোয় যোগ দিয়েছেন।
বারাকপুরে গঙ্গার ধারে একাধিক জুটমিল ও কারখানা আছে। বামফ্রন্টের আমল থেকেই এই শিল্পাঞ্চল শ্মশানে পরিণত হয়েছে।
একসময় দুর্গাপুজোর মত বিশ্বকর্মা পুজো আসার তিন-চার দিন আগে থেকেই পুজো পুজো ভাব ফুটে উঠত। কিছু কারখানায় বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষ্যে একসপ্তাহ ছুটি দিত। হত থিম প্যান্ডেল। বড়ো আকারের মূর্তি বানিয়ে একে অপরকে টেক্কা দেওয়া চলত। দিনভর খাওয়া-দাওয়া, হই হুল্লোর করে চলত উৎসব। সারাবছরের কাজের ক্লান্তি চাপা পড়ত এই দু-তিনদিন। এখড় সেই ছবি ফিকে। বৃহস্পতিবার রাজ্যের পরিবহণ ও শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং বলেন, ‘ধুমধামের সঙ্গে বিশ্বকর্মা পুজো হচ্ছে। জুটমিল খুলে যাওয়ায় খুশির পরিবেশ।’ সিপিএম নেত্রী গার্গী চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, জুটমিল খুলেছে ঠিকই কিন্তু কাজ শুরু হয়নি। আর অটো-টোটোর মধ্যে যে গন্ডগোল চলছে তাতে কেউ খুশি নেই। এক্সাইড কারখানায় পুজো উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক ডঃ রাজেশ কুমার, পবন সিং। নিজস্ব চিত্র