গাজিয়াবাদ: যোগীরাজ্যের গাজিয়াবাদের পুলিশ আউটপোস্টে বিস্ফোরণ। শুক্রবার রাতের এই ঘটনায় জখম হয়েছেন এক ফুড ডেলিভারি কর্মী। বিস্ফোরণের জেরে ইন্দিরাপুরমের বসুন্ধরা আউটপোস্টের বেশ কয়েকটি জানালার কাচ ভেঙে যায়। বিস্ফোরণের কিছুক্ষণ পরেই হামলার দায় স্বীকার করে তেহরিক-উল-মুজাহিদিন হিন্দুস্তান নামে একটি সংগঠন। ‘গাজি ২’ নামে এক্স হ্যান্ডল থেকে সংগঠনের নাম জানানোর পাশাপাশি ওই চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি বার্তা পোস্ট করা হয়। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ করেছে ফরেনসিক টিম। সেগুলি পাঠানো হয়েছে আগ্রার ল্যাবে।
পুরো এলাকা ঘিরে তল্লাশি চালাচ্ছে উত্তরপ্রদেশের জঙ্গিদমন শাখা, বম্ব স্কোয়াড। তদন্তে সহযোগিতা করছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেকে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। একইসঙ্গে পোস্টের উৎস খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হামলার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। গাজিয়াবাদের পুলিশ কমিশনার জে রবীন্দ্র গৌড় জানান, জঙ্গি হামলা সহ যাবতীয় সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত ৯টা নাগাদ আউটডপোস্টের দেওয়ালের কাছে বিস্ফোরণ ঘটে। হামলার সময় সেখানে ছিলেন একজন সাব ইনস্পেকটর ও ফুড ডেলিভারি কর্মী। খবর পাওয়ামাত্র ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পুলিশ কমিশনার। তিনি বলেন, ‘বিস্ফোরণে জখম হয়েছেন এক ডেলিভারি কর্মী। ঘটনাস্থল থেকে সমস্ত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে।’ সূত্রের খবর, এখনও বিস্ফোরক পদার্থের হদিশ মেলেনি। নমুনা পরীক্ষা করে আরও তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারী দলের সদস্যরা। ঘটনায় অভিযুক্তদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন লোনির বিজেপি বিধায়ক নন্দ কিশোর গুর্জর। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর তোপ, ‘তেহরিক-উল-মুজাহিদিন নামে একটি জঙ্গি সংগঠন বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে। তদন্তে এর প্রমাণ মিললে যোগী প্রশাসনের পুলিশ জঙ্গিদের ধ্বংস করে দেবে। প্রত্যেককে প্রকাশ্যে আনা হবে। এমনকি পাকিস্তানে সেনা পাঠাতেও দ্বিধা বোধ করবেন না প্রধানমন্ত্রী মোদি।’



