সংবাদদাতা, কান্দি: পুজোর আনন্দে মাততে প্রস্তুত হচ্ছে কান্দি পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। ওয়ার্ডের বারোয়ারি ও বাড়ির পুজো মিলিয়ে ১০টি পুজো ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা দিয়েছে। প্যান্ডেল তৈরির কাজও জোর কদমে চলছে। অন্যদিকে, পুজোর আগে রাস্তাঘাট ও নিকাশি সমস্যা মেটানো হয়েছে। আলোর কাজও চলছে। কান্দি পুরসভায় আয়োতনের দিক থেকে খুব ছোট এই ওয়ার্ড। তার মধ্যেও এই ওয়ার্ডে সাতটি বারোয়ারি ও তিনটি বাড়ির পুজো হয়। বারোয়ারি পুজোগুলির মধ্যে রয়েছে জেমো বিশ্বাসপাড়া, উমাপাড়া, মিস্ত্রিপাড়া, বাগানপাড়া, খিড়কিপাড়া, ধর্মতলা, নীলকণ্ঠপুর। প্রত্যেক পুজো কমিটি এবছর রাজ্য সরকারের অনুদান পেয়েছে। এছাড়াও তিনটি বাড়ির পুজোও হয়। জেমো জমিদার বাড়ির নতুনবাড়ি, ন’তরফ ও ফুল তরফের বাড়ির পুজোগুলি ঘিরে উন্মাদনা দেখা দিয়েছে। পুজোয় অংশ নেন স্থানীয়রাও।
তবে, ক্লাবের পুজোগুলিতে উন্মাদনা চরমে উঠেছে। পুজোর কেনাকাটা এখন মাঝপথে। ক্রেতারা সকাল থেকে সন্ধ্যা কাপড়ের দোকানে ভিড় করছেন। পুজো উদ্যোক্তারা দাঁড়িয়ে থেকে প্যান্ডেলের কাজ করাচ্ছেন। জোরকদমে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ। উদ্যোক্তা সোমনাথ মণ্ডল বলেন, পুজোয় কেউ কোনওরকম খামতি রাখতে চাইছেন না। তাই প্রত্যেকেই পালা করে প্যান্ডেল, প্রতিমার কাজে তদারকি করছেন। মণ্ডপগুলিতে কার্যত প্রতি সন্ধ্যায় আয়োজকরা বৈঠক করছেন। স্থানীয় বাসিন্দা সিদ্ধার্থ শঙ্কর ঘোষ বলেন, পুজোর উন্মাদনা এখানে চরমে উঠেছে। কাজের সূত্রে যাঁরা বাইরে থাকেন, তাঁরাও ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন। মহালয়ার আগেই যেন পুজো চলে এসেছে বলে মনে হচ্ছে। এদিকে, পুজোর আগেই এলাকার রাস্তাঘাট থেকে নিকাশি সমস্যা মিটেছে বলে পুরসভা সূত্রে জানানো হয়েছে। পুরসভার চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটক বলেন, ওই ওয়ার্ডের সমস্ত রাস্তার কাজ আগে থেকেই হয়ে রয়েছে। দু’-একটি জায়গায় কাজ বাকি ছিল, সেগুলিও করা হয়েছে। পুজোর আগেই ওয়ার্ডে কিছু নতুন আলোক স্তম্ভ বসানো হবে।
স্থানীয় কাউন্সিলার গৌরী সিনহা বিশ্বাস বলেন, পুজোর জন্য একেবারে রেডি আমার ওয়ার্ড। সকলেই পুজোর আনন্দে এখন থেকেই ভাসছেন। তবে, বৃষ্টিকেই ভয়, পুজোর আনন্দে না জল ঢেলে দেয়, সেই ভয় তাড়া করছে সবাইকে। তবে, কোথাও জল জমলে তাঁর ব্যবস্থা সঙ্গে সঙ্গে নেওয়া হবে।