নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: উন্মাদনা ও আবেগ আরও একবার প্রমাণ করল বাঙালির কাছে রথযাত্রার গুরুত্ব কতটা। রাজাদের জেলা বর্ধমান। সেই রাজআমল থেকেই ধুমধাম করে হয়ে আসছে রথযাত্রা। জামালপুরের কুলীনগ্রামে পদধূলি পড়েছিল শ্রীচৈতন্যদেবের। এই গ্রামের রথের ঐতিহ্য অন্যরকম। সময় বদলেছে। রথযাত্রার সেই মহাধুমধামের ছবি এখনও বদলায়নি।
মেলা বসেছে কাঞ্চননগর, স্বস্তিপল্লিতে। জামালপুর, আউশগ্রাম সহ বিভিন্ন ব্লকেই পসরা সাজিয়েছেন দোকানিরা। কোথাও সাতদিন, আবার কোথাও ১০দিন পর্যন্ত থাকবে মেলা। এদিন বিকেলে বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী রাজবাড়ির রথ দেখতে বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা ভিড় করেন। কাঞ্চননগরের সুউচ্চ রথ দেখতে ভিড় উপচে পড়েছিল। বর্ধমানের দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, চেয়ারম্যান পরেশচন্দ্র সরকার অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা রথের দড়িতে টান দেন। বীরহাটার বড়মা কালীমন্দির থেকেও রথ বের হয়েছিল। ভাতার, খণ্ডঘোষ এবং রায়নার বিভিন্ন গ্রামে ঐতিহ্য মেনে রথের দড়িতে টান দেওয়া হয়। জামালপুরের সেলিমাবাদের রথ বহু বছরের। এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ছবি চোখে পড়ার মতো।স্থানীয়রা বলেন, রথের দিন থেকেই দুর্গোৎসবের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। এদিন বর্ধমান শহরের প্রায় ১০টি ক্লাবের খুঁটি পুজো হয়। রথের রশিতে টান দেওয়ার পর সন্ধ্যার দিকে অনেক ক্লাব খুঁটিপুজো করেছে। সকাল থেকেই জোলার প্রতিটি প্রান্তেই শুরু হয় উৎসবের মেজাজ। তা গড়ায় রাত পর্যন্ত।-নিজস্ব চিত্র