প্রতিটি মোড় যন্তরমন্তর হয়ে উঠবে, হুংকার নেহা বোরার
  • ১১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ‘পথে যেখানেই আটকানো হবে, সেখানেই বসে বিক্ষোভ শুরু করুন। রাস্তার প্রতিটি মোড় যন্তরমন্তর হয়ে উঠবে।’ দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর শনিবার সরকার ও প্রশাসনকে এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন আইসা নেত্রী নেহা বোরা। 

Advertisement

দিল্লির যন্তরমন্তরে জেনজি-দের আন্দোলনের চাপে ইস্তফা দিতে হয়েছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। এবারও সেই মাটি থেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সরানোর ডাক দেওয়া হয়েছে। পুলিশ-প্রশাসনের যাবতীয় প্রতিবন্ধকতাকে তুচ্ছ করে এদিন পথে নামেন নেহা। মিছিল শুরু হওয়ার আগে বিক্ষোভকারীদের ‘দিল্লি হাট’-এ আসার আবেদন জানান তিনি। বলেন, আজ দিল্লি হাটই যন্তরমন্তর হয়ে উঠবে। কিন্তু পথে সফদরগঞ্জ ফ্লাইওভারের কাছে নেহাকে আটক করা হয়। তাঁর সঙ্গে থাকা সমাজকর্মী-রাজনীতিবিদ যোগেন্দ্র যাদব, লিবারেশনের সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য, বর্ষীয়ান আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণকেও হেপাজতে নেয় পুলিশ। এরপরই এক্স হ্যান্ডলে নেহা লেখেন, আমাকে আটকাতে পেরেছে। আন্দোলন নয়। ধীরে ধীরে লোকজন সফদরগঞ্জ ফ্লাইওভারে জড়ো হচ্ছে। যদি পৌঁছাতে পারেন, আসুন। পথে আটকানো হলে সেখানেই বসে পড়ুন। মাটি কামড়ে পড়ে থাকুন।  
১৯৪২ সালে ব্রিটিশদের তাড়াতে মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ভারত ছাড়ো আন্দোলন হয়েছিল। তার তুলনা টেনে নেহার বার্তা, ‘আমার জেন জি সঙ্গীরা মাথায় রাখবেন, এটাই আমাদের কাছে বিয়াল্লিশের আন্দোলন। ওদের জেলে কয়েকজনকে আটকে রাখা যাবে। কিন্তু আমাদের সবাইকে বন্দি রাখা সম্ভব নয়। যেখানে আটকানো হচ্ছে, সেখানেই বসে পড়ুন। বিক্ষোভ শুরু করুন। রাস্তার প্রতিটি মোড় যন্তরমন্তর হয়ে উঠবে। নেহার কথামতো দিল্লির কোণায় কোণায় বিক্ষোভের খণ্ডচিত্র ধরা পড়ল। পুলিশের ধরপাকড়ের মাঝে যত্রতত্র কিছুক্ষণের জন্য জমায়েত করেছে বিক্ষোভকারীরা। পরে তাড়া খেয়ে আবার জায়গা বদলেছে। জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে স্লোগানও উঠেছে। কনট প্লেস, গুরুদ্বার বাংলা সাহিব, দিল্লি হাট, গোলে মার্কেট, আইএনএ মার্কেট, মিন্টো ব্রিজ। সর্বত্র এমনই ছবি ধরা পড়েছে। এদিন আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান বামনেত্রী ঐশী ঘোষ। গাড়িতে থাকা মহিলা পুলিশের নেমপ্লেট কোথায় জানতে চান ঐশী। সদুত্তর না মেলায় বচসা চরমে পৌঁছায়। একসময় গাড়ি থামতেই নেমে যান তিনি।