Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

টার্গেট ১২৫ হলেও সমস্যা নেই: অক্ষর

আত্মবিশ্বাস ও আশার অদ্ভুত সহাবস্থান। একদিকে, বিশ্বসেরাদের তিনদিনে দুরমুশ করার লক্ষ্যে টগবগে হোমটিম।

টার্গেট ১২৫ হলেও সমস্যা নেই: অক্ষর
  • ১৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১৬:১১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আত্মবিশ্বাস ও আশার অদ্ভুত সহাবস্থান। একদিকে, বিশ্বসেরাদের তিনদিনে দুরমুশ করার লক্ষ্যে টগবগে হোমটিম। পাশের ড্রেসিং-রুমে তখন লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি। ক্রিকেটের চিরন্তন বৈশিষ্ট্যের প্রতি আস্থা। পরতে পরতে অনিশ্চয়তার খেলায় অঘটন তো ঘটতেই পারে!

Advertisement

কোনও সন্দেহ নেই, আপাতত অ্যাডভান্টেজ ইন্ডিয়াই। স্কোরবোর্ড জানাচ্ছে, ৬৩ রানে এগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় দিনের শেষে অক্ষর প্যাটেলের গলা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, ‘এই পিচে মারার বল মারতেই হবে। কারণ ব্যাটসম্যান কখনওই সেট হতে পারবে না। তাই আক্রমণাত্মক থাকা জরুরি। আমরা সেটা মাথায় রাখছি। টার্গেট ১২৫ হলেও অসুবিধা নেই।’ কেউ কেউ অবশ্য মনে করছেন, দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আরও ৬০ রান করা প্রায় অসম্ভব। তা সে যতই ক্যাপ্টেন তেম্বা বাভুমা ক্রিজে মরণপণ সঙ্কল্প নিয়ে ক্রিজে পড়ে থাকুন। 
কিন্তু ক্রিকেট যে এত সরলরেখায় চলে না। এদিন ধ্রুব জুরেল, রবীন্দ্র জাদেজাদের ফ্রন্টফুটে খেলিয়ে আউট করা অফস্পিনার সাইমন হার্মারের গলায় আশার ঝিলিক, ‘চতুর্থ ইনিংসে ইডেনে মাত্র একবারই একশোর বেশি রান তাড়া হয়েছে। আমাদের তাই একশো পেরতেই হবে। আর ক্রিকেটে অসম্ভব বলে কিছু নেই। কে বলতে পারে আমরা দেড়শোর টার্গেট ওদের দেব না? জবাবে ভারত তো আশি রানেও থামতে পারে!’ আশাবাদ ছাড়া আর কী!
ঘটনা হল, প্রথম দু’দিনে দুটো ইনিংস খতম হওয়ার পরও যে আরও সাতটা উইকেট পড়বে, এতটা কল্পনা করেনি টিম ইন্ডিয়া। বোলিং কোচ মর্নি মর্কেল তো বলেই দিলেন, ‘এত তাড়াতাড়ি বাইশ গজ এমন দুর্বোধ্য হয়ে উঠবে, ভাবিনি। অবশ্য উপমহাদেশে খেলার এটাই মজা। কন্ডিশন জলদি বদলায়। দ্রুত তার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়। সেটাই চ্যালেঞ্জ।’ রুক্ষ বাস্তব হল, চতুর্থ ইনিংসে টার্গেট যত বেশি হবে, ভারতের চ্যালেঞ্জ তত বাড়বে। রবিবার সকালে রবীন্দ্র জাদেজা, যশপ্রীত বুমরাহদের তাই বিধ্বংসী মেজাজেই দেখতে চাইছে দল। কারণ, প্রোটিয়াদের লিডটা একশো পেরলেই নির্ঘাত রক্তচাপ বাড়বে। নন্দন কানন তাই রোমহর্ষক পরিসমাপ্তির অপেক্ষায়!

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ