সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: এটিএমে টাকা তুলতে গিয়ে আটকে গিয়েছিল ৫০০-র একটি নোট। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ভিজিল্যান্স বিভাগে অভিযোগ জানিয়ে জরিমানা হিসেবে পেলেন ২৯০০টাকা। সেইসঙ্গে আসল ৫০০টাকাও ফেরত পেলেন। ওই টাকা ফেরত পেয়ে খুশি বিষ্ণুপুরের বাসিন্দা পেশায় হাইস্কুলের শিক্ষক। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের শাখা কর্তৃপক্ষের আচরণে তিনি বেজায় ক্ষুব্ধ। অপূর্ব কুণ্ডু নামে ওই শিক্ষকের অভিযোগ, এটিএমে টাকা তোলার সময় ৫০০টাকা কম বেরিয়েছিল। এনিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের শাখায় অভিযোগ জানালেও তারা কোনও গুরুত্ব দেয়নি। পরে ওই ব্যাঙ্কের ভিজিল্যান্স বিভাগে বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে অনলাইনে অভিযোগ জানান। তাতেই কাজ হয়। ঘটনার তদন্ত করতে ২৯দিন সময় লাগে। তারজন্য দিনপিছু ১০০টাকা করে জরিমানা সহ মোট ৩৪০০টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
অপূর্ববাবু জানান, গত ২ অক্টোবর বিষ্ণুপুর বিডিও অফিস সংলগ্ন ওই এটিএমে টাকা তুলতে গিয়েছিলেন। পাঁচ হাজার টাকা তুলতে চান। কিন্তু মেশিন থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা হাতে পান। বাকি একটি ৫০০ টাকার নোট ফের ওই মেশিনে ঢুকে যায়। তারপর টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করলেও তাদের কাছে টাকা তোলার কোনও তথ্য নেই বলে জানায়। এরপর ব্যাঙ্কের সংশ্লিষ্ট শাখায় যোগাযোগ করেন। কিন্তু তারা এব্যাপারে কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি। তাই বাধ্য হয়ে তিনি ওই ব্যাঙ্কের ভিজিল্যান্স বিভাগে সমস্ত তথ্য জানিয়ে অভিযোগ জানান। তাতেই কাজ হয়। যদিও সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখার চিফ ম্যানেজার কৌশিক মাজি বলেন, এটিএমে টাকা আটকে যাওয়ার অভিযোগে গুরুত্ব না দেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন। বরং ওই গ্রাহককে অনলাইনে টোল-ফ্রি নম্বরে ফোন করতে বলা হয়েছিল। তার কারণ এইসমস্ত অভিযোগগুলি কেন্দ্রীয়ভাবে দেখা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ক্ষতিপূরণেরও ব্যবস্থা রয়েছে।
অপূর্ববাবু বলেন, পাঁচ হাজার টাকা তোলার সময় সাড়ে চার হাজার টাকা হাতে পেলেও বাকি ৫০০টাকার একটি নোট তৎক্ষণাৎ মেশিনের ভিতর ঢুকে যায়। ব্যাঙ্কের সংশ্লিষ্ট শাখা এব্যাপারে কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি। বাধ্য হয়ে আমি ওই ব্যাঙ্কের ভিজিল্যান্স বিভাগে সমস্ত তথ্য জানিয়ে অভিযোগ জানাই। ওরা আমাকে বারবার ফোন করে টাকা ফেরত পাওয়ার ব্যাপারে আশ্বস্ত করে। বিস্তারিত তথ্য দিয়ে আমি তাদের সররকমভাবে সহযোগিতা করি। শেষ পর্যন্ত ২৯দিন পর আসল ৫০০টাকা ছাড়াও অতিরিক্ত ২৯০০টাকা আমার অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়েছে। এতে আমি খুশি। ওই শিক্ষক আরও বলেন, ৫০০টাকাটা বড় ব্যাপার নয়। ব্যাঙ্কের প্রযুক্তিগত ভুলে সাধারণ গ্রাহকদের ক্ষতি হবে কেন? তাছাড়া বহু সাধারণ গ্রাহক এরকম সমস্যায় পড়েন। কিন্তু তাঁরা ব্যাঙ্কের শাখায় যোগাযোগ করলেও পাত্তা দেওয়া হয় না। তাই ভিজিল্যান্সে অভিযোগ জানালে যে সুরাহা হয় তার প্রমাণ পেলাম।
অপূর্ববাবু বলেন, পাঁচ হাজার টাকা তোলার সময় সাড়ে চার হাজার টাকা হাতে পেলেও বাকি ৫০০টাকার একটি নোট তৎক্ষণাৎ মেশিনের ভিতর ঢুকে যায়। ব্যাঙ্কের সংশ্লিষ্ট শাখা এব্যাপারে কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি। বাধ্য হয়ে আমি ওই ব্যাঙ্কের ভিজিল্যান্স বিভাগে সমস্ত তথ্য জানিয়ে অভিযোগ জানাই। ওরা আমাকে বারবার ফোন করে টাকা ফেরত পাওয়ার ব্যাপারে আশ্বস্ত করে। বিস্তারিত তথ্য দিয়ে আমি তাদের সররকমভাবে সহযোগিতা করি। শেষ পর্যন্ত ২৯দিন পর আসল ৫০০টাকা ছাড়াও অতিরিক্ত ২৯০০টাকা আমার অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়েছে। এতে আমি খুশি। ওই শিক্ষক আরও বলেন, ৫০০টাকাটা বড় ব্যাপার নয়। ব্যাঙ্কের প্রযুক্তিগত ভুলে সাধারণ গ্রাহকদের ক্ষতি হবে কেন? তাছাড়া বহু সাধারণ গ্রাহক এরকম সমস্যায় পড়েন। কিন্তু তাঁরা ব্যাঙ্কের শাখায় যোগাযোগ করলেও পাত্তা দেওয়া হয় না। তাই ভিজিল্যান্সে অভিযোগ জানালে যে সুরাহা হয় তার প্রমাণ পেলাম।



