নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: ৭০ হাজারেরও বেশি বাসিন্দাকে এসসি-এসটি পেনশনের আওতায় আনল জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন। তাঁদের ‘জয় জোহার’ ও ‘তফসিলি বন্ধু’ প্রকল্পে প্রতি মাসে এক হাজার টাকা করে পেনশন দেওয়া হচ্ছে।
Advertisement
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, তফসিলি সম্প্রদায়ভুক্ত প্রায় ৫৭ হাজার প্রবীণ নাগরিককে বর্তমানে ‘তফসিলি বন্ধু’ প্রকল্পে পেনশন দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের প্রায় ১৩ হাজার ষাটোর্ধ্ব পুরুষ ও মহিলা ‘জয় জোহার’ প্রকল্পে রাজ্য সরকারের দেওয়া পেনশন পাচ্ছেন। পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের নাগরিকদের আরও বেশি করে সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে আগামী ২০-২১ নভেম্বর জলপাইগুড়ির ছ’টি ব্লকে ‘জয় জোহার’ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। ওই মেলা থেকে রাজ্য সরকারের যেসমস্ত প্রকল্প রয়েছে, তা তুলে ধরা হবে। একইসঙ্গে প্রকল্পগুলিতে নাম নথিভুক্তকরণ চলবে। উপভোক্তারা ঠিকমতো প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন কি না, জেনে নেওয়া হবে সেটাও।
জলপাইগুড়ির জেলাশাসক শমা পারভীন বলেন, তফসিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য রাজ্য সরকারের একাধিক প্রকল্প রয়েছে। জাতিগত শংসাপত্র থাকলে তাঁরা সহজেই ওইসব প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে থাকেন। পরিবারে কারও কাস্ট সার্টিফিকেট থাকলে পরের প্রজন্মের তা পেতে অসুবিধা হয় না। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, তফসিলি জাতি ও উপজাতি পরিবারে প্রথম কেউ কাস্ট সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেছেন। সেক্ষেত্রে সরেজমিনে পরিদর্শন করে কাস্ট সার্টিফিকেট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলার প্রতিটি ব্লকে দ্রুততার সঙ্গে এই কাজ করতে বলা হয়েছে। ফলে বহু মানুষ কাস্ট সার্টিফিকেট পাচ্ছেন। স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা সরকারি প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ করতে পারছেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, ‘তফসিলি বন্ধু’ প্রকল্পে ধূপগুড়ি ব্লকে পেনশন পাচ্ছেন প্রায় ১৫ হাজার বাসিন্দা। জলপাইগুড়ি ব্লকে এই সংখ্যাটা ১০ হাজার। মাল ব্লকে ১৩ হাজার বাসিন্দা পেনশন পাচ্ছেন এই প্রকল্পে। রাজগঞ্জ ব্লকে পাচ্ছেন সাড়ে ১১ হাজার বাসিন্দা। অন্যদিকে, ‘জয় জোহার’ প্রকল্পে মাল ব্লকে পেনশন পাচ্ছেন প্রায় ৩ হাজার ৮০০ বাসিন্দা। মেটেলি ব্লকে পাচ্ছেন ২ হাজার বাসিন্দা। নাগরাকাটা ব্লকে ৩ হাজারের বেশি বাসিন্দা এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তর থেকে তাঁদের প্রতিমাসে পেনশন দেওয়া হচ্ছে।
জলপাইগুড়ি জেলা অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ আধিকারিক প্রবীণ লামা বলেন, এসসি ও এসটি সম্প্রদায়ভুক্ত কোনও পুরুষ কিংবা মহিলার বয়স যদি ৬০ বছরের বেশি হয়, তাহলেই তাঁরা এই দুই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন। তবে তাঁরা অন্য কোনও পেনশন পেলে চলবে না। এই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা পাচ্ছেন, ৬০ বছর বয়স হয়ে গেলে তাঁরাও এই প্রকল্পের অধীনে চলে আসবেন। সেক্ষেত্রে উপভোক্তাদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন নেই।
জলপাইগুড়ির জেলাশাসক শমা পারভীন বলেন, তফসিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য রাজ্য সরকারের একাধিক প্রকল্প রয়েছে। জাতিগত শংসাপত্র থাকলে তাঁরা সহজেই ওইসব প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে থাকেন। পরিবারে কারও কাস্ট সার্টিফিকেট থাকলে পরের প্রজন্মের তা পেতে অসুবিধা হয় না। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, তফসিলি জাতি ও উপজাতি পরিবারে প্রথম কেউ কাস্ট সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেছেন। সেক্ষেত্রে সরেজমিনে পরিদর্শন করে কাস্ট সার্টিফিকেট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলার প্রতিটি ব্লকে দ্রুততার সঙ্গে এই কাজ করতে বলা হয়েছে। ফলে বহু মানুষ কাস্ট সার্টিফিকেট পাচ্ছেন। স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা সরকারি প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ করতে পারছেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, ‘তফসিলি বন্ধু’ প্রকল্পে ধূপগুড়ি ব্লকে পেনশন পাচ্ছেন প্রায় ১৫ হাজার বাসিন্দা। জলপাইগুড়ি ব্লকে এই সংখ্যাটা ১০ হাজার। মাল ব্লকে ১৩ হাজার বাসিন্দা পেনশন পাচ্ছেন এই প্রকল্পে। রাজগঞ্জ ব্লকে পাচ্ছেন সাড়ে ১১ হাজার বাসিন্দা। অন্যদিকে, ‘জয় জোহার’ প্রকল্পে মাল ব্লকে পেনশন পাচ্ছেন প্রায় ৩ হাজার ৮০০ বাসিন্দা। মেটেলি ব্লকে পাচ্ছেন ২ হাজার বাসিন্দা। নাগরাকাটা ব্লকে ৩ হাজারের বেশি বাসিন্দা এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তর থেকে তাঁদের প্রতিমাসে পেনশন দেওয়া হচ্ছে।
জলপাইগুড়ি জেলা অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ আধিকারিক প্রবীণ লামা বলেন, এসসি ও এসটি সম্প্রদায়ভুক্ত কোনও পুরুষ কিংবা মহিলার বয়স যদি ৬০ বছরের বেশি হয়, তাহলেই তাঁরা এই দুই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন। তবে তাঁরা অন্য কোনও পেনশন পেলে চলবে না। এই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা পাচ্ছেন, ৬০ বছর বয়স হয়ে গেলে তাঁরাও এই প্রকল্পের অধীনে চলে আসবেন। সেক্ষেত্রে উপভোক্তাদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন নেই।



