নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: প্রশাসন অভিযান চালিয়ে কালনা মহকুমায় প্রায় ৮০টি এসটি সার্টিফিকেট বাতিল করেছে। কিন্তু, তারা কীভাবে কার মাধ্যমে সার্টিফিকেটগুলি পেয়েছিল তা জানতে প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে। কারা এসটি সার্টিফিকেট পাবে তার ‘গাইড লাইন’ উচ্চআদালত ঠিক করে দিয়েছে। সেই নির্দেশ মেনে এসটি সার্টিফিকেট বাতিল প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে প্রকৃত আদিবাসীদের যাতে এই সার্টিফিকেট পেতে সমস্যা না হয় তার ব্যবস্থাও প্রশাসন করছে। আউশগ্রাম, ভাতার সহ বিভিন্ন এলাকায় ক্যাম্প করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেখানে আদিবাসীরা সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
Advertisement
জেলাশাসক আয়েশা রানি এ বলেন, যাঁরা এখনও এসটি বা এসসি সার্টিফিকেট পাননি, তাঁদের জন্য ক্যাম্প করা হবে। যাঁরা প্রকৃত প্রাপক তাঁদেরই তা দেওয়া হবে। কালনার মতো জেলায় আর কোনও অযোগ্যর এধরনের সার্টিফিকেট রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এক সময় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে বাড়তি সুবিধা পাওয়ার জন্য এসসি সার্টিফিকেট পেতে অনেকেই আবেদন করেছিলেন। সেসব বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু, কালনা সহ কয়েকটি এলাকায় অনেক অযোগ্যও এসটি সার্টিফিকেট পেয়েছিলেন। তৃণমূলের আদিবাসী সংগঠনের নেতা দেবু টুডু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসটি, এসটিদের জন্য বহু প্রকল্প এনেছেন। আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। একটি চক্র অসৎ উপায়ে সার্টিফিকেট হাতিয়ে বাড়তি সুযোগ পেতে চাইছে। প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিচ্ছে। আমরাও বিষয়টির উপর নজর রাখছি। এই চক্রে কোনও সরকারি কর্মী যুক্ত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওই দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এসসি ও এসটি পরিবারের ছেলেমেয়েদের উন্নতির জন্যও বিভিন্ন প্রকল্প এনেছেন। ছেলে-মেয়েরা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবেন। বর্ধমানের উদয়চাঁদ লাইব্রেরিতে তাঁদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এসসি এবং এসটিদের জন্য চাকরিতে সংরক্ষণ রয়েছে। সেসব কিছুর সুবিধা পাওয়ার জন্য অনেকেই এধরনের সার্টিফিকেট পেতে চলেছে। জেলার বাসিন্দাদের দাবি, আগে এসসি বা এসটি সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য প্রকৃত পরিবারগুলিরও কালঘাম ছুটে যেত। এখন সেই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। আবেদন করার অল্প সময়ের মধ্যে এধরনের সার্টিফিকেট পাওয়া যায়। কোনও কোনও ক্ষেত্রে অবশ্য ব্যতিক্রম হয়। জেলাশাসক বলেন, এই সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কিছু নথি জমা করতে হয়। গাইডলাইনের বাইরে গিয়ে কাউকে সার্টিফিকেট দেওয়া যাবে না।
জেলা প্রশসনের দাবি, আইনের ফাঁকফোকর কাজে লাগিয়ে অনেকেই এসটি সার্টিফিকেট হাতিয়ে নিয়েছিল। সেগুলি বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু, এর শিকড় কোথায় লুকিয়ে রয়েছে, তা খুঁজে বের করার জন্য প্রশাসন ময়দানে নেমেছে।
ওই দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এসসি ও এসটি পরিবারের ছেলেমেয়েদের উন্নতির জন্যও বিভিন্ন প্রকল্প এনেছেন। ছেলে-মেয়েরা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবেন। বর্ধমানের উদয়চাঁদ লাইব্রেরিতে তাঁদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এসসি এবং এসটিদের জন্য চাকরিতে সংরক্ষণ রয়েছে। সেসব কিছুর সুবিধা পাওয়ার জন্য অনেকেই এধরনের সার্টিফিকেট পেতে চলেছে। জেলার বাসিন্দাদের দাবি, আগে এসসি বা এসটি সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য প্রকৃত পরিবারগুলিরও কালঘাম ছুটে যেত। এখন সেই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। আবেদন করার অল্প সময়ের মধ্যে এধরনের সার্টিফিকেট পাওয়া যায়। কোনও কোনও ক্ষেত্রে অবশ্য ব্যতিক্রম হয়। জেলাশাসক বলেন, এই সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কিছু নথি জমা করতে হয়। গাইডলাইনের বাইরে গিয়ে কাউকে সার্টিফিকেট দেওয়া যাবে না।
জেলা প্রশসনের দাবি, আইনের ফাঁকফোকর কাজে লাগিয়ে অনেকেই এসটি সার্টিফিকেট হাতিয়ে নিয়েছিল। সেগুলি বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু, এর শিকড় কোথায় লুকিয়ে রয়েছে, তা খুঁজে বের করার জন্য প্রশাসন ময়দানে নেমেছে।



