সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: দশম এশিয়া প্যাসিফিক শ্রবণ প্রতিবন্ধী ক্রীড়ায় দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে আজ, মঙ্গলবার শহর ছাড়ছেন শিলিগুড়ির তিন কৃতী প্যাডলার। শহর ছাড়ার ২৪ ঘণ্টা আগে সোমবার কোচ ভারতী ঘোষের বাড়িতে গিয়ে তাঁর আশীর্বাদ নিলেন তিন টেবিল টেনিস খেলোয়াড় প্রিয়ম চক্রবর্তী, শ্রেয়াস সাহা এবং শুভেচ্ছা রায়। আগামী ১ থেকে ৮ ডিসেম্বর মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে এই প্রতিযোগিতা চলবে।
Advertisement
অর্জুন মান্তু ঘোষ সহ একঝাঁক তারকা টেবিল টেনিস খেলোয়াড় তৈরির কারিগর ভারতী ঘোষের হাত দিয়ে প্রচুর শ্রবণ প্রতিবন্ধী খেলোয়াড়ও তৈরি হয়েছেন। তাঁদের অনেকেই আন্তর্জাতিক পদক জিতেছেন। কিন্তু প্রিয়ম, শুভেচ্ছাদের এবারে ভারতীয় দলের হয়ে খেলতে যাওয়া তাঁর আরএকটি প্রাপ্তি বলে জানান ভারতী ঘোষ। এরআগে ভারতী ঘোষের দুই শ্রবণ প্রতিবন্ধী ছাত্রী শর্মিষ্ঠা হালদার ও পলি সাহা শিলিগুড়ি থেকে প্রথম দেশের হয়ে একাধিক আন্তর্জাতিক পদক জিতে এসেছেন।
এদিন ভারতী ঘোষ বলেন, এতদিন শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের টেবল টেনিস সহ সব খেলায় দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে হলে খেলোয়াড়দেরই নিজের খরচ জোগাড় করে যেতে হতো। এদের অধিকাংশ দুঃস্থ পরিবারের ছেলেমেয়ে। ফলে বিপুল টাকা তাঁদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব হতো না। সকলের কাছে হাত পাততে হতো। টাকা জোগাড় না হওয়ায় অনেকে বিদেশে খেলতে যেতে পারেনি। এবার ভারত সরকার এঁদের এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে অনুমোদন দেওয়ায় সব খরচ সরকারের। অবশেষে আমার দীর্ঘদিনের লড়াই সফল হল।
৮৩ বছরের ভারতীদেবী বয়সজনিত অসুস্থতার কারণে এখন আর সেভাবে টেবিল টেনিস বোর্ডের কাছে যেতে পারেন না। এদিন তিনি বলেন, শারীরিক কারণে কোচিং করানো থেকে ক্রমশ দূরে সরে আসছি। তবে প্রিয়ম, শ্রেয়াস এবং শুভেচ্ছাদের এই সাফল্য আমাকে আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছে। ওরা পদক জিতে আসবে এটা আমার বিশ্বাস।
এদিন ভারতী ঘোষ বলেন, এতদিন শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের টেবল টেনিস সহ সব খেলায় দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে হলে খেলোয়াড়দেরই নিজের খরচ জোগাড় করে যেতে হতো। এদের অধিকাংশ দুঃস্থ পরিবারের ছেলেমেয়ে। ফলে বিপুল টাকা তাঁদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব হতো না। সকলের কাছে হাত পাততে হতো। টাকা জোগাড় না হওয়ায় অনেকে বিদেশে খেলতে যেতে পারেনি। এবার ভারত সরকার এঁদের এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে অনুমোদন দেওয়ায় সব খরচ সরকারের। অবশেষে আমার দীর্ঘদিনের লড়াই সফল হল।
৮৩ বছরের ভারতীদেবী বয়সজনিত অসুস্থতার কারণে এখন আর সেভাবে টেবিল টেনিস বোর্ডের কাছে যেতে পারেন না। এদিন তিনি বলেন, শারীরিক কারণে কোচিং করানো থেকে ক্রমশ দূরে সরে আসছি। তবে প্রিয়ম, শ্রেয়াস এবং শুভেচ্ছাদের এই সাফল্য আমাকে আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছে। ওরা পদক জিতে আসবে এটা আমার বিশ্বাস।



