নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান এবং সংবাদদাতা, কাটোয়া: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এসএফআইয়ের বিরুদ্ধে গুন্ডামির অভিযোগ তুলে সোমবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল করল ওয়েবকুপা। তৃণমূল ঘনিষ্ঠ অধ্যাপক, অধ্যাপিকা ও অশিক্ষক কর্মীরাও মিছিলে শামিল হয়েছিলেন। সংগঠনের নেত্রী শিখা সেনগুপ্ত এসএফআইয়ের তীব্র সমালোচনা করেন। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী সংগঠনের নেতা শ্যামাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়ও মিছিলে ছিলেন। এদিন কাটোয়া কলেজেও জমায়েত করে বিক্ষোভ দেখায় ওয়েবকুপার সদস্যরা। যাদবপুর থেকে ফিরে সেদিনের অভিজ্ঞতা বলছিলেন কাটোয়া কলেজের ওয়েবকুপার ইউনিট সদস্য অধ্যাপক উৎপল দাস। তাঁর কথায়—‘সবাইকে বর্বর লালসন্ত্রাসের হাত থেকে ফিরিয়ে আনতে পারব তো? যাদবপুরে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ে গিয়ে আমরা সেই চিন্তা করছিলাম। বখাটে ছেলেগুলোকে সেদিন পেঁদিয়ে সিধে করে দেওয়া যেত। কিন্তু আমরা তা করিনি।’ তাঁরা সোমবার দুপুরে কাটোয়া কলেজের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখান। এদিন মাইক ছাড়াই কাটোয়া কলেজের গেটের সামনে ওয়েবকুপার কাটোয়া ইউনিটের সদস্যরা বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেয় কলেজের অশিক্ষক কর্মচারী সংগঠনও। অধ্যাপক উৎপল দাস বলেন, ‘কাটোয়া কলেজ থেকে আমরা সেদিন দু’টি গাড়িতে করে ৫৮ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা গিয়েছিলাম। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের এজিএম ছিল। সেখানেই শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর উপরে হামলা চালানো হয়। সেদিন প্রথম থেকেই বাম ও অতি বাম কিছু বখাটে ছেলে আমাদের প্ররোচিত করার চেষ্টা করছিল। আমাদের ভিতরে আটকে রেখে গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আমরা ভাবছিলাম সত্যি আমরা সবাইকে বাঁচিয়ে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারব তো? আমাদের একথা ভুলে গেলে চলবে না যে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় পশ্চিমবঙ্গের বাইরে নয়। আর রাজ্য সরকারের সাহায্যেই বিশ্ববিদ্যালয় চলে।’ উৎপলবাবু আরও বলেন, শিক্ষাক্ষেত্র লাল সন্ত্রাসমুক্ত করতে হবে।
Advertisement
এদিন ব্রাত্য বসুর উপর হামলার প্রতিবাদে গুসকরা সহ নানা জায়গায় যেমন প্রতিবাদ মিছিল করে তৃণমূল। তেমনি পালটা এসএফআইও মিছিল করে কাটোয়া শহরে। এসএফআইয়ের দাবি, ছাত্রদের উপরে গাড়ি চালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তার জবাব কে দেবে?-নিজস্ব চিত্র



