নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যে ইআরও হিসেবে কর্মরতদের অধিকাংশই ডব্লুবিসিএস (এগজিকিউটিভ) আধিকারিক। এসআইআর পর্বে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার দায়ভার বর্তাবে তাঁদের উপরেই। অথচ আইন মেনে দায়িত্ব পালনের সুযোগই দেওয়া হচ্ছে না ইআরওদের। এই অভিযোগ তুলে রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বা সিইওকে কড়া চিঠি দেওয়া হল ডব্লুবিসিএস অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে। যেহেতু চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে ইআরওদের সই ও সিলেই, তাঁদের দায়িত্ব ও কাজ সম্পর্কে স্পষ্টতা নিয়ে এসে নির্দেশিকা প্রকাশের জোড়ালো দাবি জানানো হয়েছে।
এসআইআর পর্বে ভোটার তালিকা সংশোধনীর প্রক্রিয়া এবং ভোটারদের নাম বাদ যাওয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে একাধিক প্রশ্ন তোলা হয়েছে অ্যাসোসিয়েশনের তরফেই। বলা হয়েছে, ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন এবং ১৯৬০-এর ভোটার নিবন্ধন বিধি অনুযায়ী নির্দিষ্ট কিছু কারণেই অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করে ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়। আর এধরনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই ‘সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে প্রস্তাবিত পদক্ষেপের বিষয়ে যুক্তি সঙ্গতভাবে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দেওয়ার কথা ইআরওর।’ অর্থাৎ, এই প্রক্রিয়ায় ইআরওদের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা নির্ধারিত রয়েছে। আর আইন দ্বারা নির্ধারিত বাধ্যতামূলক এই বিধি উপেক্ষা করে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার ঘটনা আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে। মনে করা হচ্ছে ইআরওদের এড়িয়ে শুধু মাত্র তথ্য প্রযুক্তি নির্ভরশীল হয়ে ইআরওদের অজ্ঞাতসারেই ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হতে পারে। ফলে বিপাকে পড়বেন ইআরও’রা। অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদকের দাবি, বিষয়টি কমিশনকেই গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।