সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: মতের অমিল মিটিয়ে দিল এপিকে গরমিলের ঘটনা। বিবাদ ভুলে এককাট্টা মৃণাল সরকার, গৌতম দাস, সুভাষ ভাওয়াল। দীর্ঘদিন পর জেলার সাংগঠনিক মিটিংয়ে গঙ্গারামপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে দেখা গেল তৃণমূলের সব গোষ্ঠীর নেতৃত্বকে।
Advertisement
দক্ষিণ দিনাজপুরে এপিকের গরমিলের অভিযোগ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনেক দেরিতে হলেও জেলা তৃণমূল সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল দলের সমস্ত নেতাকে নিয়ে সাংগঠনিক কাজ শুরু করলেন। মুখ্যমন্ত্রীর সাংগঠনিক মিটিংয়ের দু’দিন আগে বুনিয়াদপুরে কিষান ক্ষেতমজুর সংগঠনের বৈঠকে রাজ্য নেতৃত্বের সামনে জেলার সংগঠন নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন সুভাষ। জনপ্রতিনিধি থেকে দলের সংগঠনের দায়িত্বে থাকা নেতারা দলীয় বৈঠকে গরহাজির থাকেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি। তারপরেই জেলায় বিপ্লব বিরোধী গোষ্ঠী বলে পরিচিত মৃণাল, গৌতম, অম্বরীষ সরকার জেলা সভাপতির ডাকা মিটিংয়ে উপস্থিত থেকে দলীয় কাজ করতে এককাট্টা হয়েছেন।
জেলা তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার প্রত্যেকটি শাখা সংগঠন সহ ব্লক নেতৃত্বকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রত্যেকদিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে এপিকের গরমিল খুঁজে রাজ্যের দেওয়া ফরম্যাট অনুযায়ী ভোটারের নাম নথিভুক্ত করতে হবে। প্রতিদিন জেলা সভাপতি জেলার আটটি ব্লক ও তিনটি পুরসভা থেকে আসা এপিকের গরমিলের রিপোর্ট রাজ্যে পাঠাবেন। মঙ্গলবার থেকেই সেই কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।
সুভাষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর আমরা একসঙ্গে কাজ করছি। মাঝে জেলার কিছু মিটিংয়ে কয়েকজন নেতা অনুপস্থিত ছিলেন। নিজেদের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়। এখন সব ঠিক হয়ে গিয়েছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই সংগঠন নিয়ে এগিয়ে যাব।
জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি মৃণাল সরকারের কথায়, বাংলায় অন্য রাজ্যের ভোটার ঢুকিয়ে বড় চক্রান্ত চলছে। এই পরিস্থিতিতে সংগঠনের কাজ সবচেয়ে বড়। ব্যক্তিগত ভাবে মেসেজ পেয়ে মিটিংয়ে গিয়েছিলাম।
রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক গৌতম দাস বলেন, জেলার সংগঠন যে মিটিংয়ে প্রয়োজন মনে করত, আমাকে ডাকত। ডাক পেলে উপস্থিত থাকতাম। এবার যদি না ডাকা হয়, সেখানে উপস্থিত থাকার প্রশ্ন থাকে না। এপিকের গরমিল খুঁজে বের করা এখন আমাদের প্রধান কাজ।
জেলা তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার প্রত্যেকটি শাখা সংগঠন সহ ব্লক নেতৃত্বকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রত্যেকদিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে এপিকের গরমিল খুঁজে রাজ্যের দেওয়া ফরম্যাট অনুযায়ী ভোটারের নাম নথিভুক্ত করতে হবে। প্রতিদিন জেলা সভাপতি জেলার আটটি ব্লক ও তিনটি পুরসভা থেকে আসা এপিকের গরমিলের রিপোর্ট রাজ্যে পাঠাবেন। মঙ্গলবার থেকেই সেই কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।
সুভাষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর আমরা একসঙ্গে কাজ করছি। মাঝে জেলার কিছু মিটিংয়ে কয়েকজন নেতা অনুপস্থিত ছিলেন। নিজেদের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়। এখন সব ঠিক হয়ে গিয়েছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই সংগঠন নিয়ে এগিয়ে যাব।
জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি মৃণাল সরকারের কথায়, বাংলায় অন্য রাজ্যের ভোটার ঢুকিয়ে বড় চক্রান্ত চলছে। এই পরিস্থিতিতে সংগঠনের কাজ সবচেয়ে বড়। ব্যক্তিগত ভাবে মেসেজ পেয়ে মিটিংয়ে গিয়েছিলাম।
রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক গৌতম দাস বলেন, জেলার সংগঠন যে মিটিংয়ে প্রয়োজন মনে করত, আমাকে ডাকত। ডাক পেলে উপস্থিত থাকতাম। এবার যদি না ডাকা হয়, সেখানে উপস্থিত থাকার প্রশ্ন থাকে না। এপিকের গরমিল খুঁজে বের করা এখন আমাদের প্রধান কাজ।



