নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যত দিন যাচ্ছে, বিএলও’রা এসআইআরের যত গভীরে পৌঁছচ্ছেন, ততই নতুন নতুন সমস্যা উঠে আসছে। এবার ধরা পড়ল ‘এপিক বিভ্রাট!’ এতদিন ২০০২ সালের তালিকায় নাম থাকলেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছিলেন বঙ্গবাসী। তারপর অনেক জায়গা থেকে অভিযোগ আসা শুরু করল, তালিকায় নাম রয়েছে, কিন্তু এপিক নম্বর অর্থাত্ ভোটার কার্ডের নম্বর লেখা নেই। নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে, ২০০২ সালে নাম রয়েছে, এপিক নম্বরও রয়েছে, কিন্তু সেই নম্বর আবার অন্য একজন ভোটারের। বিড়ম্বনায় পড়েছেন সেই ব্যক্তি ও তাঁর পুত্র। ঘটনাটা ঠিক কী রকম? দক্ষিণ ২৪ পরগনায় শহর লাগোয়া এলাকার ওই বাসিন্দা পরিচয় সামনে আনতে চাননি। ওই যুবক বলছিলেন, ‘আমাদের নাম এই জেলার অন্য একটি বিধানসভা কেন্দ্রে রয়েছে। পরে আমরা নতুন জায়গায় চলে আসি। এখানে নাম এখনও স্থানান্তর করা হয়নি। কিন্তু আমি যখন ২০০২ সালের তালিকায় বাবা-মায়ের নাম দেখি, তখন নিশ্চিন্ত হই।’ কিন্তু নিশ্চিন্তে বেশিদিন থাকা গেল না। কারণ, ইনিউমারেশন ফর্ম ভরার সময় ভোটার কার্ড মিলিয়ে এপিক নম্বর লেখার সময় ওই যুবক দেখেন, বাবার এপিক নম্বর ২০০২ সালের তালিকায় বদলে গিয়েছে। ওই যুবকের বক্তব্য, ‘আমার বাবা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। পার্কিনসনের রোগী। বাবার এপিক নম্বর হিসেবে যেটা লেখা রয়েছে, পোর্টালে খুঁজে দেখলাম, সেই নম্বর অন্য এক মহিলার।’ যুবক দেখেছেন, মহিলা তাঁদেরই বিধানসভা কেন্দ্রের অন্য একটি পার্টের ভোটার। যুবকের বক্তব্য, ‘এটা দেখার পরেই ঠিক করলাম, আমার আত্মীয়ের জায়গায় মায়ের নাম লিখব।’



