Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

কেন্দ্রের নতুন প্রকল্পে কর্মীদের পিএফ সংক্রান্ত অনিয়ম থেকে মুক্তির সুযোগ কর্মদাতা সংস্থাকে

চলতি মাস থেকে দেশজুড়ে ‘এমপ্লয়িজ এনরোলমেন্ট ক্যাম্পেন’ চালু করেছে শ্রমমন্ত্রকের আওতাধীন সংস্থা এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন বা ইপিএফও।

কেন্দ্রের নতুন প্রকল্পে কর্মীদের পিএফ সংক্রান্ত অনিয়ম থেকে মুক্তির সুযোগ কর্মদাতা সংস্থাকে
  • ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চলতি মাস থেকে দেশজুড়ে ‘এমপ্লয়িজ এনরোলমেন্ট ক্যাম্পেন’ চালু করেছে শ্রমমন্ত্রকের আওতাধীন সংস্থা এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন বা ইপিএফও। ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময়কালের মধ্যে বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের যেসব কর্মী ইপিএফ পরিষেবার বাইরে ছিলেন, প্রধানত তাঁদের অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যেই এই প্রকল্প চালু করেছে কেন্দ্র। এই সময়কালের মধ্যে যদি কোনও সংস্থা কর্মীদের পিএফের টাকা না কেটে থাকে, তাহলে এই প্রকল্পের আওতায় সেই টাকা সংস্থাকে আর জমা করতে হবে না। তা মকুব করা হবে। তবে নিয়োগদাতা সংস্থার প্রদেয় টাকা সুদ এবং প্রশাসনিক চার্জ সহ জমা করতে হবে। সেই সঙ্গে ‘ড্যামেজ’ বাবদ শুধু ১০০ টাকা জমা করলেই হবে। এভাবেই কর্মীদের পিএফ সংক্রান্ত জটিলতা থেকে মুক্তি পেতে পারবে নিয়োগদাতা সংস্থা। পিএফ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যেসব সংস্থা বর্তমানে পিএফের আওতায় নেই, তারাও ওই নতুন স্কিমের আওতায় আসতে পারে। এই সংক্রান্ত গোটা প্রক্রিয়াটি করতে হবে ইপিএফও পোর্টালে এবং তা হবে অনলাইনে। নতুন ইউনিভার্সাল অ্যাকাউন্ট নম্বর বা ইউএএন তৈরি করতে হবে শুধুমাত্র ফেস অথেন্টিকেশনের মাধ্যমে, জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

চলতি বছরেই ‘প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা’ চালু করেছে পিএফ দপ্তর। এরপরও কেন নতুন করে এই প্রকল্প চালু করল তারা? দপ্তরের কর্তাদের কথায়, ‘প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা’র মূল লক্ষ্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি। অর্থাৎ যেসব সংস্থা নতুন করে কর্মীদের কাজে নেবে, তাদের জন্য উৎসাহমূলক আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে। কিন্তু যাঁরা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করছেন এবং ন্যায্য পিএফ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তাঁদের যাতে সেই সুবিধা দেওয়া যায়, তার জন্য এই নয়া প্রকল্প। বহু সংস্থা আছে, যারা মোটা টাকা পেনাল্টির ভয়ে ইচ্ছা থাকলেও কর্মীদের পিএফের সুযোগ দিতে চায় না। সেই সংকট কাটাতেই এই উদ্যোগ। প্রকল্পটি চলবে ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ