নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আর অক্টোবর, নভেম্বর মাস পর্যন্ত অপেক্ষার প্রয়োজন নেই। আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যেই সব ইপিএফ গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে ৮.২৫ শতাংশ হারে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের সুদের টাকা ঢুকে যাবে। ইপিএফও পোর্টালের প্রযুক্তিগত পরিবর্ধন এবং সংশোধনের কাজ শেষ করে বুধবার একথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। এদিন থেকেই ইপিএফওর নতুন পোর্টাল চালুও করে দেওয়া হয়েছে। শ্রমমন্ত্রক জানিয়েছে, অটো-প্রসেসড প্রক্রিয়াতেই ইপিএফ গ্রাহকদের দ্রুত সুদের টাকা প্রদান করা সম্ভব হবে। সুদ হিসাবে মোট ১ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে ৩৪ কোটি গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে। এহেন প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় এবার শীঘ্রই ইপিএফের এটিএম কার্ড এবং ইউপিআই পরিষেবা চালু করে দেওয়া সম্ভব হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ সামগ্রিক এই প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া আদতে ওই পরিষেবা কার্যকর সংক্রান্ত প্রস্তুতিরই অংশ।
কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী জানিয়েছেন, এতদিন ইপিএফ গ্রাহকদের যাবতীয় তথ্য বিকেন্দ্রীভূত অবস্থায় ছিল। এবার তা কেন্দ্রীভূত একটি তথ্যভাণ্ডারে নিয়ে আসা হয়েছে। পোর্টাল চালুর ফলে এবার থেকে যেকোনো অনলাইন ক্লেমে আরও সুবিধা পাবেন গ্রাহকরা। আবেদনে কোনো ত্রুটি থাকলে প্রযুক্তির মাধ্যমে তা আগেই জানতে পারবেন ইপিএফ গ্রাহক এবং সেইমতো পদক্ষেপ করবেন।
কীভাবে ত্রুটিমুক্ত আবেদন করতে হবে, সেই ব্যাপারেও নয়া ব্যবস্থায় পরামর্শ দেবে ইপিএফওর বিশেষ প্রযুক্তি। এর ফলে সংশ্লিষ্ট ইপিএফ গ্রাহকের ক্লেম খারিজ হওয়ার আশঙ্কাই অনেকাংশে কমে যাবে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, তিনি ইপিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে কত টাকা তোলার অধিকারী, তা গ্রাহককে অগ্রিম জানিয়ে দেবে প্রযুক্তি। ইতিমধ্যেই অটো-সেটলমেন্টের সীমা এক লক্ষ থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লক্ষ টাকা করেছে ইপিএফও। সেই প্রক্রিয়াও দ্রুত হবে। এক সংস্থা থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে যোগ দিলে ইপিএফ অ্যাকাউন্ট অটো-ট্রান্সফার হবে। এর ফলে কমবে হয়রানি।