সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: শিল্প সংস্কৃতির সঙ্গে যাঁরা যুক্ত তাঁরা নন, বরঞ্চ যাঁরা নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়া চালান তাঁদের ‘সেলেব্রিটি’-র মর্যাদা দেওয়া হল। আবার তাঁদেরকে দেখতে ৩০০ টাকা এন্টি-ফি নেওয়া হল। যা নিয়ে বিতর্কে জড়ালেন ধূপগুড়ির বামনেতা। এমনকী এ নিয়ে ধূপগুড়ির শিল্পী মহলের তোপের মুখে পড়লেন একুশের বিধানসভা ভোটের বামপ্রার্থী ঈশ্বরচন্দ্র রায়।
Advertisement
সিপিএম নেতা ঈশ্বরচন্দ্র রায়ের উদ্যোগে রবিবার ধূপগুড়ির কালাচাঁদ দরবেশ মঞ্চে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যার এন্টি-ফি ছিল ৩০০ টাকা। বলা হয়েছিল, অনুষ্ঠানে সেলেব্রিটিদের নিয়ে আসা হবে। কিন্তু, সেলেব্রিটির নাম করে সেখানে নিয়ে আসা হয় বেশ কয়েকজন ইউটিউবারকে। শিল্পী মহলের ক্ষোভ, এতদিন যাঁরা শিল্পের ধারক ও বাহক আজকে তাঁরা সেলেব্রিটি নন। বরঞ্চ যাঁরা সোশ্যাল মিডিয়ায় নাচ-গান করছেন তাঁরাই সেলেব্রিটি হয়ে গেল।
যদিও বিষয়টি নিয়ে সাফাই গাইছেন বামনেতা। তিনি বলেন, যাঁরা সোশ্যাল মিডিয়ার সেলিব্রিটি তাঁদের সংবর্ধনা দেওয়া হল। এছাড়াও বেশ কয়েকজন দুঃস্থকে শীতবস্ত্র দিয়েছি। এ নিয়ে বিতর্কের কিছু দেখছি না। কাউকে কিছু ভুল বুঝিয়ে অনুষ্ঠানে আনা হয়নি।
তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক অরূপ দে বলেন, যাঁরা সোশ্যাল মিডিয়ায় অশ্লীল শারীরিক অঙ্গভঙ্গি করে নাচানাচি করেন তাঁদের কয়েকজনকেও সেলেব্রিটি হিসেবে হাজির করে সংবর্ধনা দেওয়া হল। আসলে বাম এবং তাদের নেতারা অপসংস্কৃতি নিয়ে আসতে চলেছে, সেটা প্রমাণ হল।
বিজেপি নেতা কমলেশ সিংহ রায় বলেন, ধূপগুড়িতে এত শিল্পী থাকতেও তাঁরা ডাক পেলেন না। যাঁদের সেলেব্রিটি তকমা দেওয়া হল তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়াতেই মুখ দেখা যায়। ধূপগুড়ি শিক্ষক বিধান ঘোষ বলেন, এঁদেরকে সেলেব্রিটি হিসেবে মর্যাদা দেওয়ায় প্রমাণিত হল, সুস্থ মানসিকতার অভাব জন্ম দিচ্ছে। রাজবংশী ভাষার চলচ্চিত্র পরিচালক তপন রায় বলেন, ধূপগুড়িতে সিদ্ধেশ্বর রায় ও সুমিত্রা রায়ের গান মানুষকে পাগল করে দেয়। অথচ তাঁরা সেলেব্রিটি বা শিল্পী নন। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। ধূপগুড়ি শিল্পী সংসদের সভাপতি বাপ্পা পাল বলেন, সামাজকে সুস্থ রাখতে হলে সুষ্ঠু সংস্কৃতির প্রয়োজন। এমন অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
যদিও বিষয়টি নিয়ে সাফাই গাইছেন বামনেতা। তিনি বলেন, যাঁরা সোশ্যাল মিডিয়ার সেলিব্রিটি তাঁদের সংবর্ধনা দেওয়া হল। এছাড়াও বেশ কয়েকজন দুঃস্থকে শীতবস্ত্র দিয়েছি। এ নিয়ে বিতর্কের কিছু দেখছি না। কাউকে কিছু ভুল বুঝিয়ে অনুষ্ঠানে আনা হয়নি।
তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক অরূপ দে বলেন, যাঁরা সোশ্যাল মিডিয়ায় অশ্লীল শারীরিক অঙ্গভঙ্গি করে নাচানাচি করেন তাঁদের কয়েকজনকেও সেলেব্রিটি হিসেবে হাজির করে সংবর্ধনা দেওয়া হল। আসলে বাম এবং তাদের নেতারা অপসংস্কৃতি নিয়ে আসতে চলেছে, সেটা প্রমাণ হল।
বিজেপি নেতা কমলেশ সিংহ রায় বলেন, ধূপগুড়িতে এত শিল্পী থাকতেও তাঁরা ডাক পেলেন না। যাঁদের সেলেব্রিটি তকমা দেওয়া হল তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়াতেই মুখ দেখা যায়। ধূপগুড়ি শিক্ষক বিধান ঘোষ বলেন, এঁদেরকে সেলেব্রিটি হিসেবে মর্যাদা দেওয়ায় প্রমাণিত হল, সুস্থ মানসিকতার অভাব জন্ম দিচ্ছে। রাজবংশী ভাষার চলচ্চিত্র পরিচালক তপন রায় বলেন, ধূপগুড়িতে সিদ্ধেশ্বর রায় ও সুমিত্রা রায়ের গান মানুষকে পাগল করে দেয়। অথচ তাঁরা সেলেব্রিটি বা শিল্পী নন। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। ধূপগুড়ি শিল্পী সংসদের সভাপতি বাপ্পা পাল বলেন, সামাজকে সুস্থ রাখতে হলে সুষ্ঠু সংস্কৃতির প্রয়োজন। এমন অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।



