Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিশ্ববিদ্যালয় নয়, অমর্ত্য সেন বিষয়ক বক্তৃতা সভার স্থান বদল উদ্যোক্তাদের

অমর্ত্য সেন সম্পর্কিত বক্তৃতার সভার স্থান বদল নিয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করল বিশ্বভারতী।

বিশ্ববিদ্যালয় নয়, অমর্ত্য সেন বিষয়ক বক্তৃতা সভার স্থান বদল উদ্যোক্তাদের
  • ২০ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বোলপুর: অমর্ত্য সেন সম্পর্কিত বক্তৃতার সভার স্থান বদল নিয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করল বিশ্বভারতী। মঙ্গলবার একটি বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় কোনও বক্তৃতা সভার বুকিং বাতিল করেনি, আয়োজকরাই বুকিং বাতিল করেছেন। যাঁরা মিথ্যা রটাচ্ছেন, তাঁরা হয় বিভ্রান্ত, নয়তো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ভ্রান্ত ধারণা ছড়াচ্ছেন। বিশ্বভারতীর উপাচার্য অধ্যাপক অমর্ত্য সেনের প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন ও নোবেলজয়ীর অ্যাকাডেমিক কার্যকলাপের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

Advertisement

প্রসঙ্গত, একটি প্রকাশনা সংস্থার উদ্যোগে গত ১৪ আগস্ট বোলপুরের গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহে ‘লার্নিং ফ্রম অমর্ত্য সেন’ শীর্ষক একটি বক্তৃতা সভা আয়োজিত হয়। সেখানে মুখ্য বক্তা ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজ। অনুষ্ঠানটি প্রথমে বিশ্বভারতীর সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে হওয়ার কথা ছিল। প্রাথমিকভাবে ওই প্রকাশনার সংস্থা ছাড়াও বিশ্বভারতীর অর্থনীতি বিভাগ ও এ কে দাশগুপ্ত সেন্টার ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এই দু’টি বিভাগেরও অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। এমতাবস্থায়, গীতাঞ্জলিতে অনুষ্ঠানটি হওয়ায় বিস্ময় ও হতাশা ব্যক্ত করেন জঁ দ্রেজ। বিষয়টি জানাজানি হতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে শোরগোল শুরু হয়। তার পরই কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তি জারি করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে ওই প্রকাশনী সংস্থা অর্থনীতি বিভাগের মাধ্যমে কর্মসচিবের অফিসে আবেদন করেছিল। সেটি কোনও আনুষ্ঠানিক বুকিং ছিল না। কিন্তু ওই সময়ে বিশ্বভারতীতে রবীন্দ্র-সপ্তাহ চলছিল। যা ১৯৪৬ সাল থেকে চলে আসছে। নির্ধারিত সময়ে লাইব্রেরির হল দেওয়া সম্ভব নয় বলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভাগীয় প্রধানকে জানানোও হয়। তাতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানকে প্রাধান্য দিয়ে সিদ্ধান্ত মেনে নেন। এরপর ১১ আগস্ট প্রকাশনা সংস্থা নিজেরাই ই মেল পাঠিয়ে জানায়, অনিবার্য কারণে অনুষ্ঠান বাতিল করছে। বুকিংও প্রত্যাহার করছে। অর্থাৎ বুকিং বাতিলের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনওভাবে দায়ী নয়।
তবে লাইব্রেরি সূত্রে জানা গিয়েছে রবীন্দ্র সপ্তাহের অনুষ্ঠান ছিল সন্ধ্যা সাতটায়। অথচ প্রকাশনী সংস্থা দুপুরে হলটি বুক করেছিল। এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ বলেন, উপাচার্য তথা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। অথচ উপাচার্য গোটা বিষয়টি সম্পর্কে অবহিতই ছিলেন না। উপাচার্য অমর্ত্য সেনের প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ