সংবাদদাতা, মানিকচক: ভূতনির পর মানিকচকের এনায়েতপুর। রাস্তার কাজ নিম্নমানের। তারই প্রতিবাদ করে তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্যের হাতে আক্রান্ত প্রতিবাদী যুবক। জখম মানিকচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাচক্রে প্রতিবাদী যুবক এবং অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য দু’জনের নামই মীর জাহাঙ্গীর। জনপ্রতিনিধির এহেন আচরণে নিন্দার ঝড় উঠেছে। যদিও চাপে পড়ে অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করছেন ওই পঞ্চায়েত সদস্য।
Advertisement
মানিকচক ব্লকের এনায়েতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মীরাগ্রামে প্রায় দু’লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৫২মিটার ঢালাই রাস্তার কাজ হচ্ছে। মঙ্গলবার রাস্তার কাজ শুরু হতেই ব্যবহৃত সামগ্রীর মান দেখে প্রশ্ন তোলেন স্থানীয়রা। সেখানে বড় ধরনের পাথর ব্যবহার করায় স্থানীয়রা কাজ বন্ধ রাখতে বলেন। বুধবার সকাল থেকে ফের কাজ শুরু হয়ে যায়। তাতে স্থানীয়রা দেখেন, রাস্তা ঢালাইয়ে ফের নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। কাজে নির্দিষ্ট পরিমাণে সামগ্রী দেওয়া হচ্ছে না দেখে এদিন সরাসরি প্রতিবাদ জানান স্থানীয় বাসিন্দা মীর জাহাঙ্গীর সহ অন্যরা। সঠিক পরিমাণে সামগ্রী না দিলে কাজ বন্ধ করার কথাও বলেন। এর জেরে কিছুক্ষণ কাজ বন্ধ থাকে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ঘটনাস্থলে আসেন এনায়েতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য মীর জাহাঙ্গীর। প্রতিবাদী যুবকের অভিযোগ, পঞ্চায়েত সদস্য এসেই তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। এমনকী প্রতিবাদী যুবকের সঙ্গে আসা তাঁর সঙ্গীর উপর চড়াও হয়ে মারধর করেন। মারধরে জখম প্রতিবাদী যুবক কোনওক্রমে সেখান থেকে পালিয়ে বাঁচেন। পরবর্তীতে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসার পর মানিকচক থানার দ্বারস্থ হন। এনায়েতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য সহ চারজনের নামে তিনি লিখিত অভিযোগ করেন।
এবিষয়ে আক্রান্ত যুবক বলেন, রাস্তার কাজ নিম্নমানের হওয়ায় কাজের শিডিউল চেয়েছিলাম। তারপরই গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য এবং তাঁর ছেলে এসে আমার ওপর চড়াও হয়ে আমাকে বেধড়ক মারধর করেন। নিম্নমানের কাজ করে টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করছেন ওঁরা। মানিকচক থানায় অভিযোগ করেছি। পুলিস বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।
যদিও এই অভিযোগ মানতে চাননি এনায়েতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য মীর জাহাঙ্গীর। তিনি বলেন, কাজ শুরু হবার পর থেকে পাঁচ হাজার টাকা দাবি করছিলেন ওই যুবক। সেই টাকা নিয়েই এদিন বচসা। তাঁকে মারধর করা হয়নি। পাল্টা তিনি আমার ছেলেকে মারধর করেছেন।
এদিকে লিখিত অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে মানিকচক থানার পুলিস। বিষয়টি খতিয়ে দেখে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন পুলিস আধিকারিক।
এবিষয়ে আক্রান্ত যুবক বলেন, রাস্তার কাজ নিম্নমানের হওয়ায় কাজের শিডিউল চেয়েছিলাম। তারপরই গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য এবং তাঁর ছেলে এসে আমার ওপর চড়াও হয়ে আমাকে বেধড়ক মারধর করেন। নিম্নমানের কাজ করে টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করছেন ওঁরা। মানিকচক থানায় অভিযোগ করেছি। পুলিস বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।
যদিও এই অভিযোগ মানতে চাননি এনায়েতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য মীর জাহাঙ্গীর। তিনি বলেন, কাজ শুরু হবার পর থেকে পাঁচ হাজার টাকা দাবি করছিলেন ওই যুবক। সেই টাকা নিয়েই এদিন বচসা। তাঁকে মারধর করা হয়নি। পাল্টা তিনি আমার ছেলেকে মারধর করেছেন।
এদিকে লিখিত অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে মানিকচক থানার পুলিস। বিষয়টি খতিয়ে দেখে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন পুলিস আধিকারিক।



