Bartaman Logo
২৬ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বর্ষায় সংকোশ, রায়ডাক-২ নদীতে মাছ ধরতে ভোর থেকেই উৎসাহীদের ভিড়

অবিরাম বৃষ্টি আর পাহাড় থেকে নেমে আসা ঘোলা জলের স্রোত, এই দুইয়ের মেলবন্ধনে কুমারগ্রাম ব্লকের নদীপাড়গুলো এখন এক অদ্ভুত উন্মাদনায় মেতে উঠেছে।

বর্ষায় সংকোশ, রায়ডাক-২ নদীতে মাছ ধরতে ভোর থেকেই উৎসাহীদের ভিড়
  • ২৪ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: অবিরাম বৃষ্টি আর পাহাড় থেকে নেমে আসা ঘোলা জলের স্রোত, এই দুইয়ের মেলবন্ধনে কুমারগ্রাম ব্লকের নদীপাড়গুলো এখন এক অদ্ভুত উন্মাদনায় মেতে উঠেছে। বিগত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে ব্লকের বুক চিরে বয়ে যাওয়া সংকোশ এবং রায়ডাক-২ নদীতে জলস্তর অনেকটাই বেড়েছে। আর জল বাড়ার সঙ্গেই নদীপাড়ের মানুষের ব্যস্ততা তুঙ্গে। নদী থেকে মাছ ধরার জন্য এখন চোখে পড়ার মতো ভিড়। 

Advertisement

ভুটান পাহাড় থেকে নেমে আসা সংকোশ এবং রায়ডাক-২ নদী দু’টি এই অঞ্চলের লাইফলাইন। পাহাড়ি নদীর ঠান্ডা জল এখানকার মাছের স্বাদকে করে তোলে অতুলনীয়। সারা বছরই এই দুই নদীতে কমবেশি মাছের দেখা মেলে। তবে বর্ষাকাল আসতেই যেন রূপ পাল্টে যায় নদীগুলোর। জলের তোড়ে পাহাড় থেকে ভেসে আসে মহাশোল, বোরোলি, ট্যাংরা, পুঁটি, রুই সহ হরেকরকমের মিষ্টি জলের মাছ। ফলে প্রতিবছরের মতো এবারও বর্ষার শুরুতেই নদী পাড়ে মৎস্যজীবীদের পাশাপাশি ভিড় জমিয়েছে সাধারণ উৎসাহী মানুষ। 
এখানে মাছ ধরাটা কেবল মাত্র কয়েকটা পরিবারের পেটের তাগিদ বা জীবিকা নয়, বরং তা রূপ নেয় এক সামাজিক উৎসবে। জাল, পলো, ছিপ- যাঁর যা সরঞ্জাম আছে, তা নিয়েই কাকভোরে নদীর চরে হাজির হচ্ছেন আবালবৃদ্ধবনিতা। কেউ পেশাদার মৎস্যজীবী, আবার কেউ স্রেফ শখের টানে নতুন জলের মাছের স্বাদ নিতে নদীমুখী হচ্ছেন। কুমারগ্রামের সংকোশ ও রায়ডাক-২ এর পাড় এখন যেন এক মিনি উৎসবের প্রাঙ্গণ। • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ