Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভিআইপিদের জন্য যেন সমস্যা না হয়: মমতা গঙ্গাসাগর মেলার আগেই হবে সেতুর শিলান্যাস

সোমবার নবান্ন সভাঘরে গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি পর্যালোচনা বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ভিআইপিদের জন্য যেন সমস্যা না হয়: মমতা গঙ্গাসাগর মেলার আগেই হবে সেতুর শিলান্যাস
  • ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সোমবার নবান্ন সভাঘরে গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি পর্যালোচনা বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, এদিনের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে ভিআইপি কালচার কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। ভিআইপিদের জন্য যেন কোনওভাবেই পুণ্যার্থীদের পুণ্যস্নান বাধা না পায়। এই বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। 

Advertisement


অভিজ্ঞ আমলাদের মতে, যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের ঘটনার পরে মুখ্যমন্ত্রীর এদিনের বার্তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। এদিনের বৈঠকে ‘ভিআইপি কালচারের’ বিরুদ্ধে সরব হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন পুণ্যার্থীরা দাঁড়িয়ে থাকবেন আর ভিআইপিরা হুটার বাজিয়ে চলে যাবেন এমনটা যেন না হয়। পুণ্যস্নানের জন্য দেশ-বিদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী আসবেন গঙ্গাসাগর মেলায়। তাঁদের আপ্যায়ন-আতিথেয়তায় যাতে কোনও খামতি না থাকে সেদিকেও নজর রাখতে হবে। পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। 


সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, প্রতিবারের মতো মুখ্যমন্ত্রী এবারও মেলার দিনকয়েক আগে নিজে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখে আসবেন। সেইসময় মুড়িগঙ্গার উপর গঙ্গাসাগর সেতুর শিলান্যাসও করবেন তিনি। সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীই তা জানিয়েছেন। প্রতিবারের মতো এবারও বেশ কয়েকজন মন্ত্রীকে গঙ্গাসাগর মেলার বিভিন্ন দায়িত্ব দিয়েছেন তিনি। কারণ, পূর্ণকুম্ভ না থাকায় এবছর গঙ্গাসাগর মেলায় বেশি ভিড় হবে বলেই ধরে নেওয়া হয়েছে। আর সেই কারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সকল পুণ্যার্থী বিমার আওতায় থাকবেন। ড্রোন-সিসিটিভিতে দিনরাত নজরদারি চলবে। ২,৫০০ বাস এবং ২৫০ লঞ্চের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ২১টি জেটি। ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যেই ড্রেজিংয়ের কাজ শেষ করারও লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। 
বাংলার প্রতিটি অনুষ্ঠান যাতে শান্তিপূর্ণভাবে হয় সেই বিষয়েও এদিন তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন।
এদিন দুপুরে হুগলির পান্ডুয়ায় বিশ্ব ইস্তেমা পালন নিয়েও আরও একটি বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। যেখানে ইমামদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী এবং আমলারা। ১৯৯১ সালের পর, আগামী ২ থেকে ৫ জানুয়ারি রাজ্যে এই অনুষ্ঠান হতে চলেছে। যেখানে সারা বিশ্ব থেকে আসা ১৮ থেকে ২০ লক্ষ মানুষের সমাগম হবে। জানা গিয়েছে, সেখানেও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনকে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।  পুলিশের কমিউনিটি ফুটবল ম‍্যাচে বিজয়ী এবং রানার্স ৪৮ জন সিভিক ভলান্টিয়ারের হাতে নিয়োগপত্র হাতে তুলে দেওয়া হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ