সংবাদদাতা, বজবজ: বজবজ পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের টেলিফোন একচেঞ্জের উল্টো দিকে অগ্রদূত ক্লাবের পুজো। ৫৭ বছরে পা দিল এবার। পুজো হয় নিয়মনিষ্ঠা মেনে। গঙ্গার জল দিয়ে ভোগ রান্না হয়। বড় আকারের তিনটি পিতলের কলসি ভরে তা নিয়ে আনা হয়। সে দৃশ্য দেখার মতো। আজ, সোমবার কালীপুজোর দিন সকালে ক্লাবের ৭০ সদস্য-সদস্যা হলুদ রঙের পাঞ্জাবি ও শাড়ি পরে খালি পায়ে জল আনতে যাবেন শোভাযাত্রা সহকারে। চিত্রগঞ্জের খুকি মায়ের সরস্বতী ঘাটে যাবেন। তার আগে সকলের উপবাস। তিনটি গাড়িতে ঝকঝকে কলসি বসানো হয়। কলসির মাথার ছাতা ধরে রাখার রীতি। শোভাযাত্রার পূর্বভাগে ঢাক, কাঁসর, ঘণ্টা সহ বাদ্যযন্ত্র থাকে। পুরোহিত মন্ত্রপাঠ করার পর কলসিতে জল ভরে একইভাবে বাদ্যযন্ত্র সহকারে মণ্ডপে পৌঁছবে শোভাযাত্রা। পুজো কমিটির সভাপতি অভিজিৎ দাস এবং অন্যতম সদস্য স্মৃতিরঞ্জন ঘোষ বলেন, এইভাবে গঙ্গার টাটকা জল এবং মাটি আনার পর পুজোয় ব্যবহার হয়। এই নিয়মের হেরফের হয়নি। দক্ষিণাকালী প্রতিমা। এবার তৈরি করেছেন শিবরামপুরের শিল্পী বাবু কর্মকার। মন্দিরের আদলে মণ্ডপ জমকালো আলোকসজ্জা। ভোগ দেওয়া হয় খিচুড়ি, পোলাও, পাঁচরকমের ভাজা, মিষ্টান্ন এবং মিষ্টি। মঙ্গলবার ভোগ প্রায় তিনহাজার ভক্তকে দেওয়া হবে। -নিজস্ব চিত্র



