সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: মালদহ কোর্ট স্টেশনে কিছু ক্ষেত্রে নিম্নমানের কাজ হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অমৃত ভারত প্রকল্পের অধীনে পুরাতন মালদহ শহরের এই স্টেশনের কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে রেল মন্ত্রকে অভিযোগ জানানো হয়েছে। স্টেশনের পরামর্শদাতা কমিটির সদস্যরা রেলমন্ত্রককে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার স্টেশনের কাজ পরির্দশনে আসেন মালদহ এবং কাটিহার ডিভিশনের রেলের ইঞ্জিনিয়ারেরা। তাঁরা স্টেশনের বিভিন্ন কাজ খতিয়ে দেখেন। মালদহ কোর্ট স্টেশনের পরামর্শদাতা কমিটির সদস্য সুরাজ রায় বলেন, আমাদের মোট ৫ জনের পরামর্শদাতা সদস্য কমিটি রয়েছে। আমরা লক্ষ্য করছি, স্টেশনের কাজ নিম্নমানের হচ্ছে। স্টেশনের পাশে থাকা কোয়ার্টার থেকে পুরনো ইট নিয়ে এসে কাজ হচ্ছে। ইটের মানও খারাপ। প্ল্যাটফর্মের কাজও ভালো করে হচ্ছে না। আমরা রেলমন্ত্রককে লিখিত অভিযোগ করেছিলাম। এদিন ইঞ্জিনিয়াররা দেখে গিয়েছেন। আধিকারিকদের পরিদর্শনের পরই নতুন করে কাজ শুরু হয়েছে। যদিও পরির্দশনে আসা রেলের ইঞ্জিনিয়াররা অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলতে চাননি। রেলের মালদহ ডিভিশনের এক অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার বলেন, অভিযোগ হয়েছে। এটা রেলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বলবে। মালদহ কোর্ট স্টেশনের ম্যানেজার প্রদীপকুমার যাদব বলেন, ইঞ্জিনিয়ারেরা এসেছিলেন। আমিও সেখানে ছিলাম। অভিযোগের বিষয়টি ইঞ্জিনিয়াররা বলবেন। এর বেশি কিছু বলতে পারব না। মালদহ জেলার মধ্যে পুরাতন মালদহ শহরের মালদহ কোর্ট স্টেশন বহু পুরনো। ব্রিটিশ আমল থেকে এখানে ট্রেন চলত। ঐতিহ্যবাহী স্টেশনটি ভগ্নদশায় ছিল। সম্প্রতি সংস্কার হয়। বর্তমানে কাটিহার, শিলিগুড়িগামী ট্রেন চলাচল করে। অমৃত ভারত প্রকল্পের মাধ্যমে স্টেশনটিকে আরও আধুনিক করে তোলা হচ্ছে। প্রায় ৮ কোটি টাকা বরাদ্দে প্রথম পর্যায়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা বাড়ানো, টিকিট কাউন্টারেকর জন্য ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। অভিযোগ, মালদহ কোর্ট স্টেশনে কিছুক্ষেত্রে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে এসব কাজ করা হচ্ছে। গত সপ্তাহেই রেলমন্ত্রকে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়। তারপর তিনদিনের বেশি সময় ধরে কাজ বন্ধ থাকে। এদিন পরিদর্শনের পর কাজ চালু হয়। উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের সিপিআরও কে কে শর্মা বলেন, গোটা বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।



