Bartaman Logo
১৩ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ফুটপাতে রাত কাটানো ইঞ্জিনিয়ারের দিনবদল, যোগ দিলেন নামী সংস্থায়

কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ৭.৫৯ ডিজিপিএ, ফার্স্ট ক্লাস। তবুও বছরের পর বছর অন্ধকারে হোঁচট খেতে হয়েছে। কারণ হাওড়া স্টেশনের পাশে ফুটপাতে রাত কাটানোই ভবিতব্য ছিল তাঁর।

ফুটপাতে রাত কাটানো ইঞ্জিনিয়ারের দিনবদল, যোগ দিলেন নামী সংস্থায়
  • ২৮ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

রাহুল মিশ্র, কলকাতা: কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ৭.৫৯ ডিজিপিএ, ফার্স্ট ক্লাস। তবুও বছরের পর বছর অন্ধকারে হোঁচট খেতে হয়েছে। কারণ হাওড়া স্টেশনের পাশে ফুটপাতে রাত কাটানোই ভবিতব্য ছিল তাঁর। তিনি ওয়ার্ড বয়ের কাজ করে সামান্য বেতন পেতেন। একদিন সে চাকরিও চলে যায়। কেন? কারণ জানতে পারেননি। ঝাড়গ্রামের সেই যুবকটিকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন বর্তমান সংবাদপত্রে প্রকাশ হয়েছিল। 

Advertisement

তারপর একদিন রশ্মি গ্রুপের এক আধিকারিকের ফোন এল দুর্ভাগ্যতাড়িত রতন বাগলের কাছে। তিনি তখন কিশোরীপুর গ্রামে বেকার অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। রশ্মি গ্রুপের দপ্তরে গেলেন একদিন। সাক্ষাৎকার নেওয়া হল তাঁর। তারপর হাতে পেলেন নিয়োগপত্র। খড়্গপুরের ওডিশা মেটালিক্স প্রাইভেট লিমিটেড, ইউনিট-১’এ ডিমিনারেলাইজেশন প্লান্টে কেমিস্ট পদে নিযুক্ত হলেন। নিয়োগপত্র তুলে দিলেন সংস্থার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ভাস্কর চৌধুরী।
রতন বাগল বলেন, ‘রশ্মি গ্রুপকে মনের গভীর থেকে ধন্যবাদ। বর্তমান পত্রিকার কাছেও আমি কৃতজ্ঞ। তারাই আমার কথা মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছিল।’ ভাস্কর চৌধুরী বলেন, ‘রতন মেধাবী। আমরা বিশ্বাস রাখি ও নিজের পাশাপাশি কোম্পানির ভবিষ্যৎও গড়বে।’ ১ জুন থেকে নয়া সংস্থায় কাজ শুরু করবেন রতনবাবু। ফুটপাতে দিন কাটানো এই ইঞ্জিনিয়ার অনেক দুঃখ সত্ত্বেও একদিন গভীর আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছিলেন, ‘আমার সময়ও আসবে।’ এখন বলছেন, ‘আমার সময় এসে গিয়েছে। মা-বাবা খুব খুশি। বাড়ির কাছেই ভালো কোম্পানিতে কাজ পেলাম। এবার আমাদের জীবন বদলে যাবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ