সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: কোভিড যোদ্ধাদের অস্থায়ী পদে নিয়োগের দাবিতে বুধবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এমএসভিপিকে স্মারকলিপি দিল সুশ্রুতনগর নাগরিক মঞ্চ। পাঁচবছর আগে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ১৫০জন চুক্তির ভিত্তিতে মেডিক্যালে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় কাজ করেছিলেন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতেই তারা কাজ হারান।
Advertisement
এদিন তাঁদের দাবি, হাসপাতালে এজেন্সির মাধ্যমে বা অন্য চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী পদে নিয়োগ করতে হবে। সুশ্রুতনগর নাগরিক মঞ্চের সম্পাদক দিবাকর সরকার বলেন, বারবার যোগাযোগ করা হলে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই কোভিড যোদ্ধাদের এজেন্সির মাধ্যমে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ব্যাপারে আমাদের আশ্বাস দিয়েছিল। দুই বছরেরও বেশি সময় কেটে গিয়েছে। মাত্র চারজনের ছাড়া কারও কাজ জোটেনি। প্রয়োজনের সময় তাদের ব্যবহার করা হয়েছে। তাই অবিলম্বে কোভিড যোদ্ধাদের এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগের দাবি জানিয়েছি আমরা।
এ প্রসঙ্গে এমএসভিপি ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক আন্দোলনকারীদের সাফ জানিয়ে দেন, এ বিষয়টি তাঁর হাতে নেই। কোভিড যোদ্ধাদের নিয়োগের ব্যাপারেও স্বাস্থ্যদপ্তরের কোনও নির্দেশিকা নেই। কাজেই এ ব্যাপারে তিনি কাউকে কাজে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে পারেন না। তিনি বলেন, মানবিক দৃষ্টিতে এজেন্সিকে এদের নিয়োগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়ে এসেছি। সেই অনুরোধ জানিয়ে যাব।
দিবাকর সরকার বলেন, এমএসভিপি সম্পূর্ণ দায় এড়ানো কথা বলছেন। এই হাসপাতলে দু’টি এজেন্সির মাধ্যমে শয়ে শয়ে কর্মী নিয়োগের চূড়ান্ত দুর্নীতি রয়েছে। লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বাইরে থেকে লোক এনে এখানে কাজ দেওয়া হয়েছে। এতে হাসপাতালের একটি অংশ এবং স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি যুক্ত রয়েছে। তাই এই কোভিড যোদ্ধাদের নিয়োগের বিষয়টি ভাবা হয়নি। আমরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লিখিতভাবে জানাব। দুটি এজেন্সির মাধ্যমে যত নিয়োগ হয়েছে, তারা কোথাকার বাসিন্দা এবং নিয়োগের স্বচ্ছতা নিয়ে আমরা তথ্য জানার অধিকার আইনে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইব। কেন না, টাকার বিনিময়ে প্রতিবেশী রাজ্যের লোকদেরও এখানে এজেন্সির অধীনে কাজ দেওয়া হয়েছে। সেই উত্তরের ভিত্তিতেই পরবর্তী আন্দোলন ঠিক হবে।
এদিকে কোভিড যোদ্ধা পূর্ণিমা দাস, সীমা বাল্মিকী, আশা প্রধান, আশা পান্ডে,উত্তম দাস, বুল্টি অধিকারি ও পাপিয়া দাসরা বলেন, সামান্য টাকার বিনিময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা আক্রান্তদের সেবা করেছি। সে সময় আমাদের বাড়িতেও ঢুকতে দেওয়া হয়নি। একবার যখন জীবনের ঝুঁকি নিয়েছি, তখন কাজের ন্যায্য দাবিতে না হয় আরও একবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা অনশনে বসব।
এ প্রসঙ্গে এমএসভিপি ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক আন্দোলনকারীদের সাফ জানিয়ে দেন, এ বিষয়টি তাঁর হাতে নেই। কোভিড যোদ্ধাদের নিয়োগের ব্যাপারেও স্বাস্থ্যদপ্তরের কোনও নির্দেশিকা নেই। কাজেই এ ব্যাপারে তিনি কাউকে কাজে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে পারেন না। তিনি বলেন, মানবিক দৃষ্টিতে এজেন্সিকে এদের নিয়োগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়ে এসেছি। সেই অনুরোধ জানিয়ে যাব।
দিবাকর সরকার বলেন, এমএসভিপি সম্পূর্ণ দায় এড়ানো কথা বলছেন। এই হাসপাতলে দু’টি এজেন্সির মাধ্যমে শয়ে শয়ে কর্মী নিয়োগের চূড়ান্ত দুর্নীতি রয়েছে। লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বাইরে থেকে লোক এনে এখানে কাজ দেওয়া হয়েছে। এতে হাসপাতালের একটি অংশ এবং স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি যুক্ত রয়েছে। তাই এই কোভিড যোদ্ধাদের নিয়োগের বিষয়টি ভাবা হয়নি। আমরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লিখিতভাবে জানাব। দুটি এজেন্সির মাধ্যমে যত নিয়োগ হয়েছে, তারা কোথাকার বাসিন্দা এবং নিয়োগের স্বচ্ছতা নিয়ে আমরা তথ্য জানার অধিকার আইনে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইব। কেন না, টাকার বিনিময়ে প্রতিবেশী রাজ্যের লোকদেরও এখানে এজেন্সির অধীনে কাজ দেওয়া হয়েছে। সেই উত্তরের ভিত্তিতেই পরবর্তী আন্দোলন ঠিক হবে।
এদিকে কোভিড যোদ্ধা পূর্ণিমা দাস, সীমা বাল্মিকী, আশা প্রধান, আশা পান্ডে,উত্তম দাস, বুল্টি অধিকারি ও পাপিয়া দাসরা বলেন, সামান্য টাকার বিনিময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা আক্রান্তদের সেবা করেছি। সে সময় আমাদের বাড়িতেও ঢুকতে দেওয়া হয়নি। একবার যখন জীবনের ঝুঁকি নিয়েছি, তখন কাজের ন্যায্য দাবিতে না হয় আরও একবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা অনশনে বসব।



