সংবাদদাতা, হলদিবাড়ি: নলবাহিত পানীয় জল প্রকল্প থাকলেও মিলছে না পরিস্রুত জল। ফলে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের দক্ষিণ বেরুবাড়ি পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ অংশের মানুষকে। এদিকে, ধীরে ধীরে গরম পড়তেই সাতকুড়া, দইখাতা গ্রামে পরিস্রুত পানীয় জলের জন্য হাহাকার পড়তে শুরু করেছে। গ্রামবাসীদের ভরসা তাই একমাত্র কুয়ো এবং টিউবওয়েল। আয়রন মিশ্রিত অপরিস্রুত পানীয় জলই তাঁদের খেতে হচ্ছে। আর এতেই ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকার বাসিন্দারা।
Advertisement
প্রকল্প গড়তে ৫ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা খরচ করেছিল উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর। যদিও বিভাগীয় মন্ত্রী উদয়ন গুহ জানিয়েছেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তবে খোঁজখবর নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
স্থানীয় ভুক্তভোগী বাসিন্দা বিশ্বজিৎ রায় ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, প্রশাসনের উদাসীনতায় আমরা পানীয় জলের মতো অতি প্রয়োজনীয় পরিষেবা থেকে বঞ্চিত। কুয়ো আর টিউবওয়েলের আয়রনযুক্ত জলই খাই। এতে অনেকেই পেটের রোগে ভুগছেন। আমরা এর সুরাহা চাই। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার মাঝবরাবর প্রবাহিত যমুনা নদী দুই দেশের ভূখণ্ডকে দু’ভাগ করেছে। নদীর পূর্বপ্রান্তে মানিকগঞ্জ বাজার সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত জলাধারের মাধ্যমে পানীয় জলের সরবরাহ করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন এলাকায় পাইপ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জল পৌঁছচ্ছে না গ্রামে। স্থানীয় আরএক বাসিন্দা দীপক রায় ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, রাজ্য সরকার জলস্বপ্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে। কিন্তু আমাদের গ্রাম পঞ্চায়েতে বাড়ি বাড়ি তো দূরের কথা, এলাকার কোথাও এতটুকু পরিস্রুত পানীয় জল মেলে না। আমরা চাই দ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা করুক প্রশাসন।
বছর সাতেক আগে দক্ষিণ বেরুবাড়ি গ্ৰাম পঞ্চায়েত এলাকায় পানীয় জল সরবরাহের জন্য সাতকুড়া বাজার চত্বরে শুরু হয় জলাধার তৈরির কাজ। এরজন্য এনবিডিডি ৫ কোটি ১৬ লক্ষ ৪ হাজার টাকা খরচ করে। গ্রামে জল সরবরাহের জন্য পাইপ বসানোর কাজও শেষ করা হয়েছিল। কিন্তু অজানা কারণে জল মিলছে না।
স্থানীয় ভুক্তভোগী বাসিন্দা বিশ্বজিৎ রায় ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, প্রশাসনের উদাসীনতায় আমরা পানীয় জলের মতো অতি প্রয়োজনীয় পরিষেবা থেকে বঞ্চিত। কুয়ো আর টিউবওয়েলের আয়রনযুক্ত জলই খাই। এতে অনেকেই পেটের রোগে ভুগছেন। আমরা এর সুরাহা চাই। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার মাঝবরাবর প্রবাহিত যমুনা নদী দুই দেশের ভূখণ্ডকে দু’ভাগ করেছে। নদীর পূর্বপ্রান্তে মানিকগঞ্জ বাজার সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত জলাধারের মাধ্যমে পানীয় জলের সরবরাহ করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন এলাকায় পাইপ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জল পৌঁছচ্ছে না গ্রামে। স্থানীয় আরএক বাসিন্দা দীপক রায় ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, রাজ্য সরকার জলস্বপ্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে। কিন্তু আমাদের গ্রাম পঞ্চায়েতে বাড়ি বাড়ি তো দূরের কথা, এলাকার কোথাও এতটুকু পরিস্রুত পানীয় জল মেলে না। আমরা চাই দ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা করুক প্রশাসন।
বছর সাতেক আগে দক্ষিণ বেরুবাড়ি গ্ৰাম পঞ্চায়েত এলাকায় পানীয় জল সরবরাহের জন্য সাতকুড়া বাজার চত্বরে শুরু হয় জলাধার তৈরির কাজ। এরজন্য এনবিডিডি ৫ কোটি ১৬ লক্ষ ৪ হাজার টাকা খরচ করে। গ্রামে জল সরবরাহের জন্য পাইপ বসানোর কাজও শেষ করা হয়েছিল। কিন্তু অজানা কারণে জল মিলছে না।



