আবেগের নাম বৈভব, চর্চায় বিস্ময় ইনিংস
  • ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

হারারে: সমস্যায় পড়েছেন মনীশ ওঝা। তিনি বৈভব সূর্যবংশীর ছোটবেলার কোচ। দু’বছরের শিশুকে নিয়ে তাঁর ক্রিকেট ক্যাম্পে হাজির এক দম্পতি। ছেলেকে বৈভবের মতো বিস্ময় ব্যাটার বানাতে চান তাঁরা। আবদার শুনে মনীশের চোখ কপালে। আসলে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর গোটা দেশের নায়ক বৈভব। ঘরের ছেলের ফেরার প্রতীক্ষায় প্রহর গুনছে সমস্তিপুর। বাড়ি উৎসবে মাতোয়ারা। আসলে আবেগের নাম বৈভব। চর্চায় ৮০ বলে ১৭৫ রানের সেই বিস্ময় ইনিংস। ফাইনালের কয়েক ঘণ্টা পর বাড়িতে ফোন করেছিল বিস্ময় ব্যাটার। ফোনেই কেঁদে ফেলেন তার বাবা সঞ্জীব সূর্যবংশী। ছেলেকে ক্রিকেটার গড়ে তুলতে প্রচুর কষ্ট করেছেন। তবে লক্ষ্য অনেক বড়। সঞ্জীব জানিয়েছেন, ‘দিল্লি বহু দূর। সবে কেরিয়ার শুরু হয়েছে বৈভবের। এখনও অনেক পথ চলা বাকি। সবচেয়ে বড় কথা টেস্টের আঙিনায় সফল হতে হবে।’ আবেগ সামলে বাস্তবে পা রাখেন তিনি। লাল বলের ক্রিকেট সম্পূর্ণ অন্য ফরম্যাট। ধৈর্য, টেকনিক, উইকেটে টিকে থাকার মানসিকতা ছাড়া সাফল্য অসম্ভব। বৈভবকে সেটাই বোঝাতে চেয়েছেন তার বাবা। পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও নায়ককে নিয়ে চলছে মাতামাতি। অবিলম্বে জাতীয় দলে ডাকার দাবি জানাচ্ছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। তবে আইসিসির নিয়মে তা সম্ভব নয়। ১৫ বছর না হওয়ার পর্যন্ত সিনিয়র দলে অভিষেক অসম্ভব। ১৪ বছরের বৈভবকে জাতীয় দলে দেখেতে তাই আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতেই হবে।

Advertisement

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে এই নিয়ে ছ’বারের চ্যাম্পিয়ন ভারত। বিসিসিআই ইতিমধ্যই ৭.৫ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে। বোর্ড সচিব দেবজিৎ সইকিয়া বলেছেন, ‘অসাধারণ কৃতিত্ব। গোটা টুর্নামেন্টে শুরু থেকে দাপট দেখিয়েছে ভারত। অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য গোটা দলকে অভিনন্দন জানাই।’