নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: গত বৃহস্পতিবার মহারাজা জিতেন্দ্রনারায়ণ মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে এক ইন্টার্নের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটেনি। তারই মধ্যে মঙ্গলবার দিনভর কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ নির্মলকুমার মণ্ডলকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান একাংশ পড়ুয়া। দিনভর আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবিই ছিল হাউসস্টাফের সংখ্যা বৃদ্ধি, নিরাপত্তা, হস্টেলের সমস্যা দূর করা প্রভৃতি।
Advertisement
কিন্তু এদিন প্রিন্সিপালের ঘরের বাইরে যাঁরা আন্দোলন করছিলেন তাঁরা প্রথম, দ্বিতীয় বর্ষের ডাক্তারি পড়ুয়া। বারবার জানতে চাওয়া হলেও আন্দোলন কীসের দাবিতে সেই বিষয়ে তাঁরা মুখ খুলতে চাননি। এদিকে, বারবার স্লোগান ওঠে, ‘দফা এক, দাবি এক, প্রিন্সিপালের পদত্যাগ।’ কিন্তু ঠিক কী কারণে প্রিন্সিপালের পদত্যাগ দাবি, এর সঙ্গে হাউসস্টাফের সংখ্যা বৃদ্ধিরই বা কি সম্পর্ক, কেন ওই ঘেরাও আন্দোলনে সদ্য ডাক্তারি পড়ুয়ারা শামিল হলেন, এসব কোনও প্রশ্নেরই উত্তর কার্যত দুপুর পর্যন্ত তাঁরা দিাতে পারেননি।
কারণ যাঁরা আন্দোলন পরিচালনা করছিলেন তাঁরা সেই সময় কোনও কথা বলতে রাজি হননি। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, বাইরে থেকে কেউ কী আন্দোলনে কলকাঠি নাড়ছেন? এদিন কলেজ কাউন্সিলের বৈঠকেও কর্তৃপক্ষকে চাপের মুখে পড়তে হয়েছে। বারবার বোঝানো হয়েছে, হাউসস্টাফের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও বিষয়টি তৎক্ষণাৎ মিটিয়ে ফেলার দাবি তোলা হয়।
প্রিন্সিপাল বলেন, এদিন কলেজ কাউন্সিলের বৈঠক ছিল। সেখানে পড়ুয়াদের কয়েকজন প্রতিনিধিকে ডাকা হয়েছিল। তাঁরা হাউসস্টাফের সংখ্যা বৃদ্ধির দাবি জানান। আমরা এই কাজ অনেক আগেই শুরু করেছি। ইন্টার্নশিপ যাতে সুষ্ঠুভাবে শেষ হয় সেই বিষয়েও দাবি জানানো হয়। কয়েকজন জানতে চান, পুলিস কেন তাঁদের ডাকছে। এই বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। আমার গাড়ি আটকানোর চেষ্টা হয়। আমি বেরিয়ে এলেও অ্যাকাউন্টস অফিসার ও একজন বিভাগীয় প্রধানকে আটকে দেওয়া হয়। আসলে আমাকে বিপাকে ফেলা, যেনতেন উপায়ে হেনস্তা করাই উদ্দেশ্য। যাঁরা বাইরে আন্দোলন করছিলেন তাঁদের হাউসস্টাফ শিপের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই।
মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখানে এখন ৩৮ জন হাউসস্টাফ আছেন। একবছর আগে কর্তৃপক্ষ আরও ৩৮ জন হাউসস্টাফ বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে। এরই মধ্যে হঠাৎ করে কিষানকুমার নামে এক ইন্টার্নের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। যার তদন্ত এখনও চলছে। তদন্তের স্বার্থে কয়েকজন পড়ুয়াকে পুলিস ডেকে পাঠিয়েছিল। আন্দোলকারী ছাত্ররা সন্ধ্যায় জানান, হস্টেলের সমস্যা, নিরাপত্তা, পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্য সহ একাধিক বিষয়ে বারবার প্রিন্সিপালকে জানানো হলেও সুরাহা হয়নি। তাই এই আন্দোলন।
কারণ যাঁরা আন্দোলন পরিচালনা করছিলেন তাঁরা সেই সময় কোনও কথা বলতে রাজি হননি। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, বাইরে থেকে কেউ কী আন্দোলনে কলকাঠি নাড়ছেন? এদিন কলেজ কাউন্সিলের বৈঠকেও কর্তৃপক্ষকে চাপের মুখে পড়তে হয়েছে। বারবার বোঝানো হয়েছে, হাউসস্টাফের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও বিষয়টি তৎক্ষণাৎ মিটিয়ে ফেলার দাবি তোলা হয়।
প্রিন্সিপাল বলেন, এদিন কলেজ কাউন্সিলের বৈঠক ছিল। সেখানে পড়ুয়াদের কয়েকজন প্রতিনিধিকে ডাকা হয়েছিল। তাঁরা হাউসস্টাফের সংখ্যা বৃদ্ধির দাবি জানান। আমরা এই কাজ অনেক আগেই শুরু করেছি। ইন্টার্নশিপ যাতে সুষ্ঠুভাবে শেষ হয় সেই বিষয়েও দাবি জানানো হয়। কয়েকজন জানতে চান, পুলিস কেন তাঁদের ডাকছে। এই বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। আমার গাড়ি আটকানোর চেষ্টা হয়। আমি বেরিয়ে এলেও অ্যাকাউন্টস অফিসার ও একজন বিভাগীয় প্রধানকে আটকে দেওয়া হয়। আসলে আমাকে বিপাকে ফেলা, যেনতেন উপায়ে হেনস্তা করাই উদ্দেশ্য। যাঁরা বাইরে আন্দোলন করছিলেন তাঁদের হাউসস্টাফ শিপের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই।
মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখানে এখন ৩৮ জন হাউসস্টাফ আছেন। একবছর আগে কর্তৃপক্ষ আরও ৩৮ জন হাউসস্টাফ বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে। এরই মধ্যে হঠাৎ করে কিষানকুমার নামে এক ইন্টার্নের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। যার তদন্ত এখনও চলছে। তদন্তের স্বার্থে কয়েকজন পড়ুয়াকে পুলিস ডেকে পাঠিয়েছিল। আন্দোলকারী ছাত্ররা সন্ধ্যায় জানান, হস্টেলের সমস্যা, নিরাপত্তা, পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্য সহ একাধিক বিষয়ে বারবার প্রিন্সিপালকে জানানো হলেও সুরাহা হয়নি। তাই এই আন্দোলন।



