নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহারের মহারাজা জিতেন্দ্রনারায়ণ মেডিক্যাল কলেজের একাংশ শিক্ষক চিকিৎসকের বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স নিয়ে উঠল প্রশ্ন। কর্মস্থলে না এসেও নিয়মের ফাঁক গলে বাইরে থেকেই দিব্যি উপস্থিতি জানাচ্ছেন তাঁরা। বিষয়টি নজরে আসতেই এবার খতিয়ে দেখা শুরু করল কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে চিহ্নিতও করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পথে এগতে পারে কর্তৃপক্ষ।
Advertisement
বিষয় ঠিক কি রকম? ডাক্তাররা হাজিরা ঠিকঠাক দিচ্ছেন কি না জানতে বছর খানেক আগে বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স চালু হয়। ন্যাশনাল মেডিক্যাল কাউন্সিল বা এনএমসি’র চালু করা নিয়ম অনুসারে একজন শিক্ষক চিকিৎসক নিজের কলেজ থেকে অন্যত্র সেমিনার, পরীক্ষা সংক্রান্ত প্রভৃতি কাজে গেলে সেই মেডিক্যাল কলেজ থেকেও বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্সের মাধ্যমে হাজিরা দিতে পারেন। আর এই সুযোগকেই কাজে লাগাচ্ছেন একাংশ চিকিৎসক। সশরীরে কোচবিহারে না থেকেও বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্সের মাধ্যমে অন্য মেডিক্যাল থেকে দিব্য হাজিরা দিয়ে দিচ্ছেন তাঁরা। বিষয়টি এমজেএন মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। সেই চিকিৎসকদেরই তালিকা করা হয়েছে। মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ এখন খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে ওই চিকিৎসকরা নির্দিষ্ট ওই সময়ে সত্যিই কি কোনও সেমিনার বা কাজ ছিলেন কি না।
এরপরেও প্রশ্ন থেকেই যায়, কিভাবে বোঝা যাবে নিজের কাজের মেডিক্যাল কলেজে সশরীরে উপস্থিত না থেকেও একজন চিকিৎসক অন্য জায়গা থেকে বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্সের মাধ্যমে হাজিরা দিচ্ছেন। এনএমসি নিয়ম করেছে শিক্ষক চিকিৎসকদের ৭৫ শতাংশ হাজিরা দিতেই হবে। এখানেই উঠে আসছে ‘ইন্টারনেট প্রোটোকল অ্যাড্রেস’-এর নাম। সেটি দেখলেই বোঝা যায় কোন ব্যক্তি কোন মেডিক্যাল কলেজ থেকে তাঁর হাজিরা বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্সের মাধ্যমে দিয়েছেন।
এমনিতেই কোচবিহার মেডিক্যালে চিকিৎসকের অভাব। অনেক বিভাগে পর্যাপ্ত শিক্ষক চিকিৎসক না থাকায় পঠনপাঠনে অসুবিধা হচ্ছে। তারমধ্যে এভাবে আইনের ফাঁক গলে অন্য মেডিক্যাল থেকে বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স দিয়ে কাজে না আসলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার নেবে। মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য দাবি করেছে, এমন শিক্ষক চিকিৎসকের সংখ্যা যদিও খুবই কম। তবুও এটা গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এমজেএন মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ নির্মলকুমার মণ্ডল বলেন, আমাদের এখানে যেমন বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্সের ব্যবস্থা রয়েছে তেমনই বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজেও সেই ব্যবস্থা আছে। দেশের যেকোনও জায়গা থেকে বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স দিলে সিস্টেম তা নিয়েও নিচ্ছে। কিন্তু কে কোথা থেকে তা দিচ্ছেন সেটি দেখা যায়। পরীক্ষা নিতে, কনফারেন্স ইত্যাদিতে অনুমতি নিয়ে গেলে সেখান থেকে এভাবে হাজিরা দেওয়া যেতেই পারে। কিন্তু এখানে না এসে শুধুমাত্র অ্যাটেনডেন্স দেওয়ার জন্য যদি কেউ তা করেন তা গ্রহণযোগ্য নয়। কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এখন দেখা হচ্ছে সেই সময় তাঁদের কোনও কনফারেন্স বা কাজ ছিল কি না। কেউ এভাবে হাজিরা দিয়ে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এরপরেও প্রশ্ন থেকেই যায়, কিভাবে বোঝা যাবে নিজের কাজের মেডিক্যাল কলেজে সশরীরে উপস্থিত না থেকেও একজন চিকিৎসক অন্য জায়গা থেকে বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্সের মাধ্যমে হাজিরা দিচ্ছেন। এনএমসি নিয়ম করেছে শিক্ষক চিকিৎসকদের ৭৫ শতাংশ হাজিরা দিতেই হবে। এখানেই উঠে আসছে ‘ইন্টারনেট প্রোটোকল অ্যাড্রেস’-এর নাম। সেটি দেখলেই বোঝা যায় কোন ব্যক্তি কোন মেডিক্যাল কলেজ থেকে তাঁর হাজিরা বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্সের মাধ্যমে দিয়েছেন।
এমনিতেই কোচবিহার মেডিক্যালে চিকিৎসকের অভাব। অনেক বিভাগে পর্যাপ্ত শিক্ষক চিকিৎসক না থাকায় পঠনপাঠনে অসুবিধা হচ্ছে। তারমধ্যে এভাবে আইনের ফাঁক গলে অন্য মেডিক্যাল থেকে বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স দিয়ে কাজে না আসলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার নেবে। মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য দাবি করেছে, এমন শিক্ষক চিকিৎসকের সংখ্যা যদিও খুবই কম। তবুও এটা গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এমজেএন মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ নির্মলকুমার মণ্ডল বলেন, আমাদের এখানে যেমন বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্সের ব্যবস্থা রয়েছে তেমনই বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজেও সেই ব্যবস্থা আছে। দেশের যেকোনও জায়গা থেকে বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স দিলে সিস্টেম তা নিয়েও নিচ্ছে। কিন্তু কে কোথা থেকে তা দিচ্ছেন সেটি দেখা যায়। পরীক্ষা নিতে, কনফারেন্স ইত্যাদিতে অনুমতি নিয়ে গেলে সেখান থেকে এভাবে হাজিরা দেওয়া যেতেই পারে। কিন্তু এখানে না এসে শুধুমাত্র অ্যাটেনডেন্স দেওয়ার জন্য যদি কেউ তা করেন তা গ্রহণযোগ্য নয়। কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এখন দেখা হচ্ছে সেই সময় তাঁদের কোনও কনফারেন্স বা কাজ ছিল কি না। কেউ এভাবে হাজিরা দিয়ে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



