নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহারের মহারাজা জিতেন্দ্রনারায়ণ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিক্ষক চিকিৎসকের ব্যাপক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন কলেজে পঠনপাঠনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে, তেমনই চিকিৎসার ক্ষেত্রেও প্রভাব পড়ছে। ফরেন্সিক মেডিসিন, রেডিওলজি, চক্ষু, ইনএনটি সহ বিভিন্ন বিভাগে এই সমস্যা চরমে উঠেছে। অন্যান্য অনেক বিভাগে প্রফেসর, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, আরএমও-ডেমোনেস্ট্রেটরের বহু পদ ফাঁকা। এই বিষয়টি এর আগেও স্বাস্থ্যভবনকে এমজেএন মেডিক্যালের তরফে জানানো হয়েছিল। আজ, শুক্রবার কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ নির্মলকুমার মণ্ডল ফের স্বাস্থ্যভবনের দ্বারস্থ হচ্ছেন। সেখানে পুরো বিষয়টি জানিয়ে শিক্ষক চিকিৎসক পাঠানোর আবেদন জানাবেন তিনি। এদিকে, মেডিক্যাল কলেজের আউটডোর, ইমার্জেন্সি সহ অন্যান্য বিভাগেও চিকিৎসকের অভাব আছে। সেখানে সিনিয়র চিকিৎসকদের পাশাপাশি ইন্টার্নদের দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছে।
Advertisement
প্রিন্সিপাল বলেন, মেডিক্যালে চিকিৎসকের যে ঘাটতি রয়েছে তা আগেও জানিয়েছি। শুক্রবার আবার স্বাস্থ্যভবনে যাচ্ছি। চক্ষু বিভাগে এখনও কোনও অধ্যাপক নেই। যিনি আছেন তিনি ছুটিতে। ফরেন্সিক মেডিসিন বিভাগে একজনমাত্র রয়েছেন। সেখানে আরও চার-পাঁচজন থাকার কথা। রেডিওলজিতে চিকিৎসক কম। ইএনটিতেও একজনই আছেন। এসবের কারণে রোগীদের পরিষেবা দেওয়া এবং পঠনপাঠন দুই ক্ষেত্রেই সমস্যা হচ্ছে। ন্যাশনাল মেডিক্যাল কাউন্সিলের নিয়ম অনুসারে কোন বিভাগে কতজন শিক্ষক চিকিৎসক থাকবেন তা বলা আছে। কিন্তু তার ২০ শতাংশ কম এখানে।
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজে প্রফেসর পদ রয়েছে ২০টি। সেখানে মাত্র ১২ জন আছেন। অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর পদ রয়েছে ২৯টি। সেখানে ১৯ জন আছেন। অন্যদিকে, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরের ৪৪টি পদ আছে, সেখানে আছেন ৩৮ জন। আরএমও-ডেমোনেস্ট্রেটর পদ রয়েছে ৫৮টি। সেখানে আছেন মাত্র ২১ জন। সব মিলিয়ে মোট ১৫১টি পদে আছে মাত্র ৯০ জন। কিছুক্ষেত্রে অতিরিক্ত চিকিৎসকও আছেন বলে মেডিক্যাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এই বিপুল ঘাটতির ফলে মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসা ও পঠনপাঠন দুই-ই সমস্যার মুখে পড়েছে।
মেডিক্যাল কলেজে কয়েকশো ছাত্রছাত্রী পড়াশোনো করছেন। আবার গোটা জেলা থেকে উন্নত চিকিৎসার আশায় হাসপাতালে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ আসে। কিন্তু শিক্ষক চিকিৎসক কম থাকার কারণে দুই ক্ষেত্রেই অসুবিধা হচ্ছে। শিক্ষক চিকিৎসক ঘাটতির এই সমস্যা দূর করতেই আজ স্বাস্থ্যভবনের দ্বারস্থ হচ্ছেন প্রিন্সিপাল। যাতে আগামী দিনে দুই ক্ষেত্রেই মান ও পরিষেবা বৃদ্ধি করা যায়।
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজে প্রফেসর পদ রয়েছে ২০টি। সেখানে মাত্র ১২ জন আছেন। অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর পদ রয়েছে ২৯টি। সেখানে ১৯ জন আছেন। অন্যদিকে, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরের ৪৪টি পদ আছে, সেখানে আছেন ৩৮ জন। আরএমও-ডেমোনেস্ট্রেটর পদ রয়েছে ৫৮টি। সেখানে আছেন মাত্র ২১ জন। সব মিলিয়ে মোট ১৫১টি পদে আছে মাত্র ৯০ জন। কিছুক্ষেত্রে অতিরিক্ত চিকিৎসকও আছেন বলে মেডিক্যাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এই বিপুল ঘাটতির ফলে মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসা ও পঠনপাঠন দুই-ই সমস্যার মুখে পড়েছে।
মেডিক্যাল কলেজে কয়েকশো ছাত্রছাত্রী পড়াশোনো করছেন। আবার গোটা জেলা থেকে উন্নত চিকিৎসার আশায় হাসপাতালে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ আসে। কিন্তু শিক্ষক চিকিৎসক কম থাকার কারণে দুই ক্ষেত্রেই অসুবিধা হচ্ছে। শিক্ষক চিকিৎসক ঘাটতির এই সমস্যা দূর করতেই আজ স্বাস্থ্যভবনের দ্বারস্থ হচ্ছেন প্রিন্সিপাল। যাতে আগামী দিনে দুই ক্ষেত্রেই মান ও পরিষেবা বৃদ্ধি করা যায়।



