Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

এমএসএমই’র ঋণের বিষয়ে আরও স্বচ্ছতা আনুক কেন্দ্র, চাইছে বণিকসভা অ্যাসোচেম

এমএসএমই’র ঋণের বিষয়ে আরও স্বচ্ছতা আনুক কেন্দ্র, চাইছে বণিকসভা অ্যাসোচেম
  • ৮ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পের পাশে দাঁড়াতে একাধিক প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার মধ্যে অন্যতম বন্ধকহীন ঋণ। অর্থাৎ কোনও সম্পত্তি গচ্ছিত না রেখেও যাতে এমএসএমই শিল্পক্ষেত্র ঋণ পেতে পারে, তার কথা জোর গলায় বলছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু বাস্তবে কি সত্যিই সেই ঋণ মিলছে? এই প্রশ্ন তুলে দিল সর্বভারতীয় বণিকসভা অ্যাসোচেমের একটি রিপোর্ট। বাজেট তৈরির আগে প্রতি বছরই বণিকসভাগুলি থেকে পরামর্শ চায় কেন্দ্রীয় সরকার। সেই পরামর্শ ও দাবিদাওয়া সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট অর্থমন্ত্রকে জমা করেছে তারা। সেখানে অ্যাসোচেম দাবি করছে, এমএসএমই ক্ষেত্রে ঋণ দেওয়ার বিষয়টিতে আরও স্বচ্ছতা আনা হোক। বণিকসভাটি জানিয়েছে, ঋণের জন্য আবেদন করার পর, কোনটি গৃহীত হচ্ছে এবং কোনটিকে বাতিল করা হচ্ছে, সেই সংক্রান্ত স্বচ্ছতা নেই। ঋণ প্রসেস করার বিষয়ে আবেদনকারীকে স্পষ্ট করে কিছু বলা হয় না। যদিও বন্ধকহীন ঋণের কথা বলা হয়, কিন্তু ঋণ দেওয়ার সময় ব্যাঙ্কগুলি সেই সম্পত্তি গচ্ছিত রাখার কথাই বলে। তারা ব্যবসার জন্য ঋণের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত সম্পত্তি জমা রাখার কথা বলে। যদি বন্ধকহীন ঋণ দেওয়া হয়, তাহলে তার সুদের হার অনেকটা বেড়ে যায়। এই বিষয়গুলি সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়া দরকার বলে জানিয়েছে অ্যাসোচেম। তাদের বক্তব্য, ব্যাঙ্কগুলি সত্যিই কতগুলি বন্ধকবিহীন ঋণের আবেদন মঞ্জুর করল, তার পরিমাণই-বা কত, সেই তথ্য যাতে তারা নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রকাশ করে, তার উদ্যোগ নিক কেন্দ্র। 
Advertisement
একেবারে ছোট পুঁজির উদ্যোগ যাতে আরও বাড়ে, তার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্র। কিন্তু বাস্তবে তাদের বেড়ে ওঠার জন্য‌ কী কী বিষয়ে জোর দেওয়া জরুরি, তা অজানা অনেকের কাছেই। বণিকসভাটির দাবি, দেশে বহু ছোট শিল্প সংস্থা আছে, যারা একবছরের জন্য বা দীর্ঘ঩মেয়াদি ঋণ নেয় না। অনেকেরই একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ঋণের প্রয়োজন হয় বা হয়তো প্রতিদিনই তার দরকার হয়। সেক্ষেত্রে মোবাইল ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা গড়ে তুলে সেই ঋণের চাহিদা মেটাক কেন্দ্র, দাবি অ্যাসোচেমের। শিল্পকর্তাদের অনেকেরই মত, ব্যাঙ্কে রোজ যাওয়ার সুযোগ থাকে না এবং ঋণের জন্য নিয়মিত তদ্বির করার ফুরসতও অনেক সংস্থার নেই। তাই তারা অসংগঠিত ক্ষেত্র থেকে চড়া সুদের হারে ঋণ নেয়। সুষ্ঠু ব্যাঙ্কিং পরিষেবা চালু থাকলে সেই সঙ্কট কাটে।
সম্পর্কিত সংবাদ