সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে চলছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের এমআরআই সেন্টার। আগামী ৩১ ডিসেম্বর সেই সংস্থার কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। নতুন টেন্ডারে অন্য একটি সংস্থা এমআরআই সেন্টার চালানোর বরাত পেয়েছে। ওই সংস্থার কাজ শুরু করতে ছ’মাস লেগে যেতে পারে। যদিও সুপার স্পেশালিটি ব্লকের এমআরআই ইউনিট চালু থাকছে। সেখানে চিকিৎসাধীন রোগীরা অগ্রাধিকার পান। এমন অবস্থায় আউটডোরে আসা রোগীর এমআরআইয়ের ডেট পেতে অনেকদিন গড়িয়ে যাবে। ব্যাহত হতে পারে পরিষেবা।
Advertisement
৩১ ডিসেম্বরের পর পুরনো সংস্থা তাদের পরিষেবা প্রত্যাহার করে সব সরঞ্জাম খুলে নিয়ে যাবে। নতুন সংস্থা তারপর সেখানে তাদের সরঞ্জাম বসিয়ে পরিষেবা দেওয়ার কাজ শুরু করবে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কমপক্ষে ছয় মাস লেগে যাবে বলে জানান হাসপাতার সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক।
সুপার বলেন, এতদিন যে সংস্থা এমআরআই সেন্টারের দায়িত্বে ছিল তারা ৩১ ডিসেম্বরের পর তাদের জিনিসপত্র সব খুলে নিয়ে যাবে। নতুন যে সংস্থা বরাত পেয়েছে তারা সবকিছু খতিয়ে দেখে সেন্টারের রুমের কিছু সংস্কারের কাজের কথা জানিয়েছে। সেই মতো আমরা স্বাস্থ্য ভবনের প্রস্তাব পাঠাব। অনুমোদন আসার পর পূর্তদপ্তর সেই কাজ করে দিবে, তারপর নতুন সংস্থা তাদের সরঞ্জাম বসিয়ে এমআরআই পরিষেবা চালু করবে। এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে কমপক্ষে ছ’মাস লেগে যাবে।
এতে হাসপাতালে আসা রোগীদের এমআরআই করার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ার কথা অস্বীকার করেননি হাসপাতাল সুপার। বলেন, আমাদের সুপার স্পেশালিটি ব্লকে এমআরআই চালু রয়েছে। সেখানে ইন্ডোরে ভর্তি থাকা রোগী এবং জরুরি পরিষেবার রোগীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তারপর আউটডোরে আসা রোগীদের ডেট দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে আউটডোরের রোগীদের এমআরআই করতে কিছুটা সময় লাগবে।
সুপার বলেন, এতদিন যে সংস্থা এমআরআই সেন্টারের দায়িত্বে ছিল তারা ৩১ ডিসেম্বরের পর তাদের জিনিসপত্র সব খুলে নিয়ে যাবে। নতুন যে সংস্থা বরাত পেয়েছে তারা সবকিছু খতিয়ে দেখে সেন্টারের রুমের কিছু সংস্কারের কাজের কথা জানিয়েছে। সেই মতো আমরা স্বাস্থ্য ভবনের প্রস্তাব পাঠাব। অনুমোদন আসার পর পূর্তদপ্তর সেই কাজ করে দিবে, তারপর নতুন সংস্থা তাদের সরঞ্জাম বসিয়ে এমআরআই পরিষেবা চালু করবে। এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে কমপক্ষে ছ’মাস লেগে যাবে।
এতে হাসপাতালে আসা রোগীদের এমআরআই করার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ার কথা অস্বীকার করেননি হাসপাতাল সুপার। বলেন, আমাদের সুপার স্পেশালিটি ব্লকে এমআরআই চালু রয়েছে। সেখানে ইন্ডোরে ভর্তি থাকা রোগী এবং জরুরি পরিষেবার রোগীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তারপর আউটডোরে আসা রোগীদের ডেট দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে আউটডোরের রোগীদের এমআরআই করতে কিছুটা সময় লাগবে।



