শিবাজী চক্রবর্তী, কলকাতা: ডুরান্ড কাপ ফাইনালের আগেই সুখবর ইস্ট বেঙ্গল শিবিরে। লাল-হলুদের সঙ্গেই থাকছে ইমামি গোষ্ঠী। তবে ইনভেস্টর নয়, স্পনসর হিসাবে কাজ চালিয়ে যাবে তারা। শুধু তাই নয়, সব ঠিকঠাক চললে ইমামির নাম লেখা জার্সি পরেই ডুরান্ড কাপের খেতাবি লড়াইয়ে নামবেন গিল, রামিরেজরা। এই বিষয়ে লাল-হলুদ শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের মন্তব্য, ‘ইমামি আমাদের বন্ধু। কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই। স্পনসর হিসাবে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট থাকছে। শুধু তাই নয়, গতবারের মতো জার্সির একই জায়গায় কোম্পানির লোগো থাকবে।’
গত কয়েক মরশুমে মশাল বাহিনীর ইনভেস্টর ছিল ইমামি গোষ্ঠী। শক্তিশালী দল গঠনে তাদের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। দীর্ঘ ২২ বছরের খরা কাটিয়ে গতবার আইএসএল জিতে ভারতসেরা হয় লাল-হলুদ ব্রিগেড। কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে শেষ ম্যাচে ইন্টার কাশীকে হারানোর পর পর সমর্থকদের সঙ্গে উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছিলেন ইনভেস্টর কর্তারাও। কিন্তু ভারতীয় ফুটবলের দীর্ঘকালীন রোডম্যাপ না থাকায় হতাশ হয়ে পড়েন ইনভেস্টররা। ক্রমাগত অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে ফুটবলে টাকা ঢালতে রাজি ছিল না কর্পোরেট কোম্পানি। শেষ পর্যন্ত ইস্ট বেঙ্গল কর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পর বরফ গলে। ইমামি ইতিবাচক মনোভাব দেখানোয় লাল-হলুদ তাঁবুতেও তাই হাওয়া বেশ ফুরফুরে। একইসঙ্গে, পঞ্চম বিদেশি সই করানোর ক্ষেত্রে যুদ্ধাকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু টিম ম্যানেজমেন্টের। এক ডিফেন্ডারের সঙ্গে কথা অনেকটাই ফলপ্রসূ। এবার দ্রুত ডিল ক্লোজ করতে মরিয়া লাল-হলুদ থিঙ্কট্যাঙ্ক। আগামী ৩১ আগস্ট ফিফার ট্রান্সফার উইন্ডোর শেষ দিন। তার আগেই বিদেশি কোটা পূরণ করতে মরিয়া থিঙ্কট্যাঙ্ক। এই মুহূর্তে রশিদ, ড্যানি রামিরেজ ও ক্রিস ইকোনমিডিসকে খেলাচ্ছেন কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। স্প্যানিশ ডিফেন্ডার নাচোর চোটের কারণে বাইরে। পাশাপাশি আরও এক বিদেশি স্ট্রাইকারের দিকে নজর রয়েছে ইস্ট বেঙ্গলের। এসিএল টু’য়ের মূলপর্বে ৬ বিদেশি নিয়েই নামতে চায় লাল-হলুদ ব্রিগেড।