Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দীর্ঘদিন বিকল সাহুডাঙির শ্মশানঘাটের বৈদ্যুতিক চুল্লি, ক্ষোভ বাড়ছে বাসিন্দাদের

প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভার বৈতরণি শ্মশানঘাটের বৈদ্যুতিক চুল্লি। যার ফলে সমস্যায় পড়ছেন রাজগঞ্জ ব্লকের বাসিন্দাদের একাংশ।

দীর্ঘদিন বিকল সাহুডাঙির শ্মশানঘাটের বৈদ্যুতিক চুল্লি, ক্ষোভ বাড়ছে বাসিন্দাদের
  • ১৫ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভার বৈতরণি শ্মশানঘাটের বৈদ্যুতিক চুল্লি। যার ফলে সমস্যায় পড়ছেন রাজগঞ্জ ব্লকের বাসিন্দাদের একাংশ। যা নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এলাকাজুড়ে। শিলিগুড়ি পুরসভার দাবি, সাহুডাঙির শ্মশানঘাটের নির্মাণকাজ শীঘ্রই শুরু হবে। তবে ঠিক কোন সময় এই কাজ শুরু হবে এবং বৈদ্যুতিক চুল্লিতে দেহ সৎকার করা যাবে, সদুত্তর দিতে পারেননি প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকেরা। 

Advertisement

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে বৈদ্যুতিক চুল্লি বন্ধ থাকায়,বাধ্য হয়েই এখানে কাঠে সৎকার করতে হচ্ছে। অনেককে শিলিগুড়ি শহরে গিয়ে কিরণচন্দ্র শ্মশানঘাটে যেতে হচ্ছে। এরফলে খরচ এবং সময় অনেকটাই বেশি লাগছে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে জানানো হলে এখনও পর্যন্ত কোনও সুরাহা হয়নি। দ্রুত শ্মশানঘাটের কাজ শুরু করার দাবি তুলেছেন এলাকাবাসীদের একাংশ।
এ প্রসঙ্গে এসজেডিএ’র চেয়ারম্যান দিলীপ দুগার বলেন, ওই শ্মশানঘাটের দায়িত্ব পুরসভা নিয়েছে। তারা এই কাজগুলো দেখছে।
২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের অর্থানুকূল্যে বৈদ্যুতিক চুল্লি সহ নতুন রূপে শ্মশানঘাটের উদ্বোধন হয়। এরপর শ্মশানঘাটের দায়িত্ব যায় স্থানীয় পঞ্চায়েত দপ্তরের হাতে। পরবর্তীকালে শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এই শ্মশানঘাটের দায়িত্ব নিয়েছিল। করোনাকালে এই শ্মশানঘাটে মৃতদেহ সৎকারের কাজ করা হতো। শহরে না ঢুকিয়ে দেহ নিয়ে সরাসরি সাহুডাঙির এই শ্মশানঘাটে নিয়ে আসা হতো। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, করোনা কাল কেটে যাওয়ার কয়েক মাস পরেই চুল্লি খারাপ হয়ে যায়। তারপর থেকে মেরামত করা হয়নি। বর্তমানে শ্মশানঘাটের দশা অত্যন্ত বেহাল। বিভিন্ন জায়গায় ইট, পলেস্তরা খসে পড়েছে। এই কারণে এখানকার মানুষকে দাহ করার জন্য শিলিগুড়ি শহরের কিরণচন্দ্র শ্মশানঘাটে আসতে হচ্ছে। যাঁরা একান্তই যেতে পারছেন না, ওই শ্মশানেই কাঠে দেহ সৎকার করছেন।
শিলিগুড়ি পুরসভার ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার বলেন, ইতিমধ্যে জলপাইগুড়ি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের মাধ্যমে সমীক্ষা হয়েছে। দ্রুত বৈদ্যুতিক চুল্লির কাজ শুরু করব।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ