Bartaman Logo
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

২৮-২৯ নভেম্বর কলকাতা ও হাওড়া সহ ৭টি পুরসভায় নির্বাচন, গণনা ২ ডিসেম্বর

পুজো মিটলেই রাজ্যে পুরভোট! কলকাতা এবং হাওড়া ছাড়াও নির্বাচন হবে বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং এবং কার্শিয়াং পুরসভার।

২৮-২৯ নভেম্বর কলকাতা ও হাওড়া সহ ৭টি পুরসভায় নির্বাচন, গণনা ২ ডিসেম্বর
  • ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পুজো মিটলেই রাজ্যে পুরভোট! কলকাতা এবং হাওড়া ছাড়াও নির্বাচন হবে বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং এবং কার্শিয়াং পুরসভার। সূত্রের খবর, এই সাত পুরসভায় ভোটগ্রহণ হবে আগামী ২৮ বা ২৯ নভেম্বর। এবং আগামী ২ ডিসেম্বর গণনা ও ফল ঘোষণার জোর সম্ভাবনা রয়েছে। 

Advertisement

জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট পুরসভাগুলির আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আজ, শুক্রবার ফের জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কমিশনের একটি বৈঠক করার কথা রয়েছে। নভেম্বরের শেষে পুরভোটের লক্ষ্যেই এই তোড়জোড় বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বয়ং আগেই ঘোষণা করেছেন, আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে কলকাতা পুরসভার নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। হাওড়ায় পুরভোটও একইসঙ্গে  হওয়ার আঁচ মিলেছিল তখনই। তবে এলাকা পুনর্বিন্যাস-সংরক্ষণের কাজ সম্পূর্ণ থাকায় দীর্ঘদিন ধরে বাকি থাকা অন্য পাঁচটি পুরসভারও ভোট একই সঙ্গে করানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সূত্রের খবর। 
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রশাসক বসেছে কলকাতা পুরসভায়। ছ’মাসের মধ্যেই ভোট করিয়ে সেখানে নতুন বোর্ড গঠনের কাজ শেষ করতে হবে। সেই অনুযায়ীই নভেম্বরের শেষে পুরভোট হতে চলেছে কলকাতায়। এলাকা পুনর্বিন্যাসের ফলে ওয়ার্ড সংখ্যাও বেড়ে হচ্ছে ২০৯টি। বাকি ছ’টি পুরসভায় মধ্যে কোনোটিতে ভোট হয়েছিল ৯ বছর আগে, কোনোটিতে আবার ১৩ বছর আগে। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই সেখানে নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই। যেমন হাওড়া পুরসভায় শেষবার নির্বাচন হয় ২০১৩ সালে। বালি পুর এলাকার বাসিন্দারা কাউন্সিলার বাছতে ভোট দিয়েছিলেন ২০১৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর। আবার হলদিয়া এবং ধূপগুড়ি পুরসভার নির্বাচিত বোর্ডের মেয়াদ ২০২২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর শেষ হয়েছে। আর কালিম্পং এবং কার্শিয়াংও সে বছরের মে মাস থেকেই প্রশাসকের অধীনে। একাধিকবার নিবার্চনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও, রাজ্যের তরফে তা কার্যকর করা হয়নি বলে অভিযোগ। কারণ, পুর এবং পঞ্চায়েত ভোট করানো রাজ্য নির্বাচন কমিশনের এক্তিয়ারভুক্ত হলেও, রাজ্য সরকার গ্রিন সিগন্যালের অপেক্ষায় থাকতে হয় তাদের।
সূত্রের খবর, এর পরবর্তী পর্যায়ে জানুয়ারি মাসে নির্বাচন হতে পারে দার্জিলিং, ঝাড়গ্রাম, আসানসোল এবং বিধাননগর পুরসভার। বাকি ১১৭টি পুরসভার নির্বাচিত বোর্ডের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০২৭ সালের মার্চ-এপ্রিলে। ইতিমধ্যে দুর্গাপুর এবং শিলিগুড়ির এলাকা পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। ফলে এই ১১৭টি পুরসভার নির্বাচন একসঙ্গে হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না রাজ্য প্রশাসন। তবে ইভিএমের অপ্রতুলতা মাথাব্যথা বাড়িয়েছে রাজ্য নির্বচিন কমিশনের। তা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কমিশন। তাদের দাবি, একাধিক ইলেকশন পিটিশনের জেরে বিপুল সংখ্যক ইভিএম আটকে রয়েছে। এই মামলার ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে সমস্ত মহল। যদিও, জাতীয় নির্বাচন কমিশন বৃহস্পতিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ২১ হাজার ১৮৪টি ব্যালট ইউনিট এবং ১৯ হাজার ৫৬৪টি কন্ট্রোল ইউনিট দিয়েছে বলে জানিয়েছেন এক আধিকারিক।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ