Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিধায়কের বাড়ির সামনে ধর্নায় বৃদ্ধা

বিধায়কের বাড়ির সামনে ধর্নায় বৃদ্ধা
  • ৯ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, চাঁচল: ‘ঘর ও ভাতা কিছুই পাইনি, তাই বিধায়কের বাড়ির সামনে বসে আছি।’ প্লাকার্ডে এমন বার্তা লিখে ধর্নায় বসেছেন বৃদ্ধা। সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় শোরগোল মালদহের চাঁচলে (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি বর্তমান)। 

Advertisement

চাঁচলের শিশির কলোনিতে বিধায়ক নীহাররঞ্জন ঘোষের আবাসে এমন অসহায় বৃদ্ধার অবস্থানে প্রশ্ন উঠছে। চাঁচল গ্রাম পঞ্চায়েতের খেলেনপুরের সাবেরা বেওয়া একাই টিনের ঘরে বাস করেন। চেয়েচিন্তে দিন কাটান তিনি। অভিযোগ, বাংলার বাড়ি সহ বিধবা ভাতা জোটেনি তাঁর। অনেক জনপ্রতিনিধির দুয়ারে গিয়ে সরকারি পরিসেবা পাননি। বাধ্য হয়ে তিনি বিধায়কের আবাসের দরজায় ধর্নায় বসেছিলেন। সাবেরার কথায়, শেষ বয়সে ঘর, ভাতা কিছুই পাচ্ছি না। তাই বিধায়কের দরজায় বসেছিলাম দাবি নিয়ে।
এনিয়ে বিধায়কের দাবি, আমার দরজায় কেউ বসে থাকেননি। শুক্রবার একজন অসহায় মহিলা আমার কাছে এসেছিলেন। তাঁর নথি যাচাই করে  বিধবা ভাতার ফর্ম পূরণ করে দেওয়া হয়। তিনি যাতে সরকারি ঘর পান, সেবিষয়ে জেলা ও ব্লক প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।
চাঁচল-১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি শেখ আফসার আলির বাড়ির পাশে থাকেন ওই মহিলা। বৃদ্ধার অসহায়তা কি কখনও আফসারের চোখে পড়েনি। এনিয়ে ব্লক সভাপতি বলেন, এলাকায় রাজ্য সরকারের জনমুখী প্রকল্প রুপায়ণের সুনাম রয়েছে। কিন্তু বিধায়কের বাড়ির সামনে সরকারি সাহায্যের জন্য কেউ বসে থাকবেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক। 
এনিয়ে তৃণমূলের অন্দরে কোন্দল দেখছে বিজেপি। দলের দক্ষিণ মালদহ জেলা সাংগঠনিকের সাধারণ সম্পাদক অম্লান ভাদুড়ীর কটাক্ষ, কয়েকদিন আগে তৃণমূলের জেলাস্তরের বৈঠকে বিধায়কের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন চাঁচল-১ ব্লক সভাপতি। জেলাজুড়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে মানুষের জন্য কাজ করতেই ভুলে গিয়েছে শাসকদল। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ