নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: কথায় আছে লটারির নেশা সর্বনাশা। তার সঙ্গে যদি মদ্যপান যুগলবন্দি হয়! তবে তা ভয়ঙ্কর পরিণতি আনতে পারে জীবনে। এটা যে কঠিন বাস্তব, তা প্রমাণিত হল। মাত্র এক নম্বরের হেরফেরের জন্য হাত থেকে ফস্কে যায় এক কোটি টাকার প্রথম পুরস্কার। সেই শোক ভুলতে না পেরে লাগাতার মদ্যপানে ডুবেছিলেন শিলিগুড়ির শান্তিনগরের এক যুবক। অবশেষে হতাশায় আত্মহত্যা করে জীবন শেষ করে দিলেন বছর সাতাশের রজত পোদ্দার! শিলিগুড়ি শহরের ৩৬ নম্বর ওর্য়াডের শান্তিনগরের বাসিন্দা ছিলেন রজত।
Advertisement
পেশায় বেসরকারি সংস্থার কর্মী ছিলেন ওই যুবক। দাদা নীলাদ্রি পোদ্দার ও বৃদ্ধা মাকে নিয়ে শান্তিনগরের বাড়িতে থাকতেন। মঙ্গলবার রাতে নিজের বাড়িতেই গলায় গামছা জড়িয়ে সিলিংয়ের সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, লটারির টিকিট কাটার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন ওই যুবক। প্রতিদিনের মতো ঘটনার রাতেও নেশায় আসক্ত অবস্থায় ভাই বাড়িতে আসে বলে জানান তাঁর দাদা নীলাদ্রি।
ভাইয়ের মৃত্যুতে শোকে বিহ্বল নীলাদ্রি বুধবার বলেন, সোমবার লটারি কেটেছিল ভাই রজত। কিন্তু এক নম্বরের হেরফেরে প্রথম পুরস্কার হাতছাড়া হয়। বাড়িতে এসে লটারির কথা দু’দিন ধরে আমাদের বলছিল। মঙ্গলবার নেশা করে আসার জন্য আমার ও মায়ের সঙ্গে ওর ঝগড়াও হয়। যদিও পরে মিটে যায়। খাওয়াদাওয়া সেরে ভাই নিজের ঘরে চলে যায়। সকালে দীর্ঘক্ষণ ঘর না খোলার পর সন্দেহ হয়। এরপরই দরজা ধাক্কা দিতেই ভাইয়ের ঝুলন্ত দেহ দেখি। আশিঘর ফাঁড়ির পুলিসকে জানাই। পুলিস এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ময়নাতদন্তের পর দেহ এদিন পরিবারের হাতে তুলে দেয় পুলিস।
শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (পূর্ব) রাকেশ সিং বলেন, আমরা একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি। সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত যুবকের দাদা বলেন, ভাইকে বারবার নেশা বন্ধ করার পাশাপাশি লটারির টিকিট কাটার নেশা ছাড়তে বলেছিলাম। কিন্তু কথা শোনেনি। এক নম্বরের হেরফেরের কারণে এক কোটি টাকার লটারি হাতছাড়া হয়েছিল ওর। সেই দুঃখে আরও বেশি মদ্যপান করে এমন ঘটনা ঘটিয়ে ফেলল।
ভাইয়ের মৃত্যুতে শোকে বিহ্বল নীলাদ্রি বুধবার বলেন, সোমবার লটারি কেটেছিল ভাই রজত। কিন্তু এক নম্বরের হেরফেরে প্রথম পুরস্কার হাতছাড়া হয়। বাড়িতে এসে লটারির কথা দু’দিন ধরে আমাদের বলছিল। মঙ্গলবার নেশা করে আসার জন্য আমার ও মায়ের সঙ্গে ওর ঝগড়াও হয়। যদিও পরে মিটে যায়। খাওয়াদাওয়া সেরে ভাই নিজের ঘরে চলে যায়। সকালে দীর্ঘক্ষণ ঘর না খোলার পর সন্দেহ হয়। এরপরই দরজা ধাক্কা দিতেই ভাইয়ের ঝুলন্ত দেহ দেখি। আশিঘর ফাঁড়ির পুলিসকে জানাই। পুলিস এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ময়নাতদন্তের পর দেহ এদিন পরিবারের হাতে তুলে দেয় পুলিস।
শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (পূর্ব) রাকেশ সিং বলেন, আমরা একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি। সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত যুবকের দাদা বলেন, ভাইকে বারবার নেশা বন্ধ করার পাশাপাশি লটারির টিকিট কাটার নেশা ছাড়তে বলেছিলাম। কিন্তু কথা শোনেনি। এক নম্বরের হেরফেরের কারণে এক কোটি টাকার লটারি হাতছাড়া হয়েছিল ওর। সেই দুঃখে আরও বেশি মদ্যপান করে এমন ঘটনা ঘটিয়ে ফেলল।



